Bartaman Logo
২ জুন, ২০২৬

বিরোধীদের আপত্তি অগ্রাহ্য করে রাজ্যসভায় পাশ সিএপিএফ বিল

বিরোধীদের আপত্তি উড়িয়ে দিয়েই বুধবার রাজ্যসভায় পাশ হল গুরুত্বপূর্ণ সিএপিএফ বিল (দ্য সেন্ট্রাল আর্মড পুলিস ফোর্সেস জেনারেল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন বিল, ২০২৬)।

বিরোধীদের আপত্তি অগ্রাহ্য করে রাজ্যসভায় পাশ সিএপিএফ বিল
  • ২ এপ্রিল, ২০২৬ ১৫:০৪

নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: বিরোধীদের আপত্তি উড়িয়ে দিয়েই বুধবার রাজ্যসভায় পাশ হল গুরুত্বপূর্ণ সিএপিএফ বিল (দ্য সেন্ট্রাল আর্মড পুলিস ফোর্সেস জেনারেল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন বিল, ২০২৬)। যদিও এই বিলকে সংসদীয় সিলেক্ট কমিটিতে পাঠানোর দাবিতে অনড় রইল কংগ্রেস সহ বিরোধী দলগুলি। তাদের দাবি অগ্রাহ্য করে বিল পাস করানোর প্রতিবাদে এদিন স্লোগান দিতে দিতে রাজ্যসভা থেকে ওয়াক আউট করে বিরোধী দলগুলি। কক্ষ ত্যাগ করেছে বিজেডিও। 

Advertisement

রাজ্যসভায় বিলের উপর আলোচনায় আট ঘণ্টা সময় দেওয়া হয়। এদিন আলোচনার জবাবি ভাষণ দেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র রাষ্ট্রমন্ত্রী নিত্যানন্দ রাই। কেন এমন গুরুত্বপূর্ণ বিলের উপর আলোচনার জবাব স্বয়ং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ দেবেন না, সেই প্রশ্ন তুলেও সোচ্চার হয়েছেন বিরোধী সাংসদরা। এদিন সিএপিএফ বিল নিয়ে আলোচনার জবাবি ভাষণে নিত্যানন্দ রাই জানিয়েছেন, এটি পাস করিয়ে কেন্দ্রীয় সরকার সংবিধান বিরোধী কোনো কাজ করছে না। এমনকি সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশও লঙ্ঘন করা হয়নি। পরিবর্তে এই বিল আইনে পরিণত হলে কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিস বাহিনীর সামগ্রিক পরিকাঠামো আরও জোরদার হবে। কেন্দ্র-রাজ্য সমন্বয়ও মজবুত হবে।   বুধবার বিল পাস হতেই উঠে দাঁড়ান রাজ্যসভার বিরোধী দলনেতা কংগ্রেস সাংসদ মল্লিকার্জুন খাড়্গে। তিনি বলেন, একাধিক প্রশ্নের জবাব পাওয়া যাচ্ছে না। আমরা চাই, এই বিল সিলেক্ট কমিটিতে পাঠানো হোক। বিরোধীদের কথায় কর্ণপাতই করা হচ্ছে না। এরপরই কক্ষত্যাগ করে কংগ্রেস সহ অন্যান্যরা। এর সমালোচনা করে নাড্ডা বলেন, বিরোধীরা আসলে কোনো আলোচনাই চায় না। তারা সবসময় পালাতে চায়। 

সম্পর্কিত সংবাদ