Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

বিনিয়োগ টানতে দুর্গাপুজোর পরই ‘বিজনেস ইন্ডাস্ট্রি’ কনক্লেভ রাজ্যে, রেকর্ড সংখ্যক শিল্পস্থাপনের অনুমোদন সিনার্জি কমিটির

পুজোর পরেই রাজ্যে বসছে বিজনেস ইন্ডাস্ট্রি কনক্লেভ। গত ৫ ও ৬ ফেব্রুয়ারি রাজ্যে অনুষ্ঠিত হয় বিশ্ববঙ্গ বাণিজ্য সম্মেলন। সেখানে বিনিয়োগ প্রস্তাব এসেছে ৪ লক্ষ ৪০ হাজার কোটি টাকার।

বিনিয়োগ টানতে দুর্গাপুজোর পরই ‘বিজনেস ইন্ডাস্ট্রি’ কনক্লেভ রাজ্যে, রেকর্ড সংখ্যক শিল্পস্থাপনের অনুমোদন সিনার্জি কমিটির
  • ৯ জুলাই, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: পুজোর পরেই রাজ্যে বসছে বিজনেস ইন্ডাস্ট্রি কনক্লেভ। গত ৫ ও ৬ ফেব্রুয়ারি রাজ্যে অনুষ্ঠিত হয় বিশ্ববঙ্গ বাণিজ্য সম্মেলন। সেখানে বিনিয়োগ প্রস্তাব এসেছে ৪ লক্ষ ৪০ হাজার কোটি টাকার। আর ওই শিল্প সম্মেলনের পর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গড়ে দেওয়া স্টেট লেভেল ইনভেস্টমেন্ট সিনার্জি কমিটি ৩,১৬৫টি শিল্প প্রকল্প স্থাপনের অনুমোদন (কনসেন্ট টু এস্টাবলিশ) দিয়েছে। এছাড়া ‘কনসেন্ট টু অপারেট’ দেওয়া হয়েছে ৩,০৬৯টি শিল্প প্রকল্পের ক্ষেত্রে। রাজ্যে প্রস্তাবিত বিনিয়োগের বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে এটি বড় পদক্ষেপ। বাণিজ্য সম্মেলনের পর থেকে এই রেকর্ড সংখ্যক শিল্পস্থাপনের ছাড়পত্র প্রদানের সাফল্যকে সামনে রেখেই পুজোর পর বিজনেস ইন্ডাস্ট্রি কনক্লেভ আয়োজনের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। 

Advertisement

মঙ্গলবার ছিল মুখ্যসচিব মনোজ পন্থের নেতৃত্বাধীন সিনর্জি কমিটির বৈঠক। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতিতে যোগ দেন মুখ্যমন্ত্রী এবং অর্থদপ্তরের আর্থিক উপদেষ্টা অমিত মিত্র। আর ছিলেন অর্থসচিব প্রভাতকুমার মিশ্র, শিল্পসচিব বন্দনা যাদব, ক্ষুদ্রশিল্পসচিব রাজেশ পান্ডে প্রমুখ। বৈঠকের পর শিল্পক্ষেত্রে রাজ্যের একাধিক সাফল্যের খতিয়ান তুলে ধরেন অমিত মিত্র। ওইসঙ্গে তিনি জানান, পুজোর পরে রাজ্যে বিজনেস ইন্ডাস্ট্রি কনক্লেভ আয়োজন করা হবে। পর্যায়ক্রমে এই কনক্লেভ কোথায় এবং কবে হবে, কারা আসবেন এসব বিষয়ে পরে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে—আজ মুখ্যমন্ত্রী এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এই কনক্লেভ আয়োজনের দায়িত্ব পেয়েছে সিনার্জি কমিটি। 
‘বাংলাই বিনিয়োগের শ্রেষ্ঠ গন্তব্য’—এই সত্য ফের একবার তুলে ধরে অমিতবাবু আরও জানান, এদিনের বৈঠকে বেশি পরিমাণে বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে নির্দিষ্ট কিছু বিষয়কে অগ্রাধিকার দেওয়ার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। সেক্ষেত্রে যেসব শিল্পের বৃদ্ধির সম্ভাবনা বেশি, যেগুলি অধিক কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে পারে, রাজ্যে যেসব শিল্পের প্রাকৃতিক বা ভৌগোলিক সুবিধা রয়েছে সেগুলিই অগ্রাধিকার পাবে। তাই রাজ্যের তরফে কয়েকটি নির্দিষ্ট কিছু শিল্পকে সামনে রেখে এগনোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ক্ষেত্রগুলি হল স্টিল, সেমিকন্ডাক্টর, জেমস ও জুয়েলারি, চিংড়ি রপ্তানি, মাছচাষ ও মুরগিপালন, তথ্য-প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ, হোসিয়ারি ও পোশাক শিল্প, ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম তৈরি শিল্প, পর্যটন (ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক) এবং চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য। 

সম্পর্কিত সংবাদ