Bartaman Logo
২৪ জুলাই, ২০২৬

সাহসিকতার পুরস্কার পেলেন বিএসএফ অফিসার নেহা

‘অপারেশন সিন্দুর’-এর মাধ্যমে পাকিস্তানকে যোগ্য জবাব দিয়েছে ভারত। গুঁড়িয়ে দিয়েছে একের পর এক পাক জঙ্গিঘাঁটি। সেনার পাশাপাশি এই অভিযানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে সীমান্তরক্ষী বাহিনীও (বিএসএফ)।

সাহসিকতার পুরস্কার পেলেন বিএসএফ অফিসার নেহা
  • ১ জুন, ২০২৫ ১৬:০৬
Prefer us on Google

জম্মু: ‘অপারেশন সিন্দুর’-এর মাধ্যমে পাকিস্তানকে যোগ্য জবাব দিয়েছে ভারত। গুঁড়িয়ে দিয়েছে একের পর এক পাক জঙ্গিঘাঁটি। সেনার পাশাপাশি এই অভিযানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে সীমান্তরক্ষী বাহিনীও (বিএসএফ)। জম্মুতে সীমান্ত সুরক্ষিত রাখার পাশাপাশি দক্ষ হাতে শত্রুপক্ষের আগ্রাসন রুখেছে বিএসএফের মহিলা বাহিনী। বীরাঙ্গনাদের এই টিমের নেতৃত্বে ছিলেন অ্যাসিস্ট্যান্ট কমান্ড্যান্ট নেহা ভাণ্ডারি। কঠিন পরিস্থিতিতে অসীম সাহসিকতার পরিচয় দেন উত্তরাখণ্ডের ভূমিকন্যা। এই অভূতপূর্ব সাফল্যের জন্য শুক্রবার নেহাকে বিশেষ পুরস্কারে সম্মানিত করলেন সেনাপ্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী। এক বিবৃতিতে বিএসএফ জানিয়েছে, অপারেশন সিন্দুরে অসামান্য দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন নেহা। তারই স্বীকৃতি হিসেবে তাঁকে কমেন্ডেশন ডিস্ক দিয়ে সম্মানিত করেছেন সেনাপ্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী।

Advertisement

অভিযান চলাকালীন আখনুর সেক্টরের পার্গওয়ালের একটি গুরুত্বপূর্ণ আউটপোস্টের দায়িত্বে ছিলেন নেহা। কিছু দূরেই পাক সেনার পোস্ট। প্রাণের মায়া ত্যাগ করে দিনরাত সীমান্তে টহল দেয় বিএসএফের মহিলা ব্রিগেড। সময়মতো মোক্ষম জবাব দিয়ে শত্রুকে শায়েস্তাও করেন নেহারা। জিরো লাইন বরাবর শত্রুপক্ষের তিনটি পোস্ট ধ্বংস করে দেন। অভিযানে নেহার পাশে ছিলেন ছ’জন সশস্ত্র মহিলা কনস্টেবল। সাম্বা, আরএস পুরা ও আখনুর সেক্টরে শত্রুদের যোগ্য জবাব দেন তাঁরা। 
তিন প্রজন্ম ধরে দেশকে রক্ষা করছে ভাণ্ডারি পরিবার। নেহার ঠাকুরদাদা ছিলেন সেনার অন্যতম সদস্য। বাবা প্রাক্তন সিআরপিএফ কর্মী। সাহসিকতা সেই ধারা এগিয়ে নিয়ে চলেছেন তৃতীয় প্রজন্মের নেহা। তাঁর কথায়, ‘টিমের সঙ্গে আন্তর্জাতিক সীমান্ত বরাবর আউটপোস্ট সামলানোর দায়িত্ব পেয়ে গর্বিত। মাত্র দেড়শো মিটার দূরেই ছিল পাক পোস্ট।’

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ