


নয়াদিল্লি: চলতি বছরে মে মাসে অপারেশন সিন্দুর অভিযানে পাকিস্তানকে নাস্তানাবুদ করেছিল ভারতীয় সেনা। ২০২৬ সালেও ফের যুদ্ধে জড়াতে পারে দুই প্রতিবেশী দেশ। এমনই পূর্বাভাস দিল মার্কিন থিঙ্ক ট্যাঙ্ক কাউন্সিল অন ফরেন রিলেশনস (সিএফআর)। তাদের অনুমান, অপারেশন সিন্দুরের মতোই নতুন বছরেও সংঘাতের কারণ হবে কাশ্মীরে সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপ।
‘কনফ্লিক্টস টু ওয়াচ ইন ২০২৬’ শিরোনামের ওই রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে, দুই পরমাণু শক্তিধর দেশ ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সংঘাতের ‘মাঝারি’ সম্ভাবনা রয়েছে। আমেরিকার উপরেও তার ‘মাঝারি’ প্রভাব পড়বে। রিপোর্টে বলা হয়েছে, অপারেশন সিন্দুরের পর থেকে কাশ্মীরে কোনও বড় জঙ্গিহানার ঘটনা ঘটেনি। তবে চলতি শীতের মরশুমে অন্তত ৩০ পাক জঙ্গি কাশ্মীরের বিভিন্ন এলাকায় সক্রিয় রয়েছে।
সিএফআরের রিপোর্ট বলছে, গত ১০ মে দুই দেশ যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হলেও সামরিক শক্তি বাড়ানোর প্রক্রিয়া চালাচ্ছে দুই দেশই। সম্প্রতি ৭৯ হাজার কোটি টাকার সামরিক সরঞ্জাম কেনার ছাড়পত্র দিয়েছে ভারতের ডিফেন্স অ্যাকুইজেশন কাউন্সিল। অন্যদিকে অপারেশন সিন্দুরে মুখ থুবড়ে পড়ার পর, তুরস্ক ও চীন থেকে নতুন করে ড্রোন ও এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম কিনছে পাকিস্তানও।
তবে শুধু ভারতের সঙ্গে নয়, আগামী বছরে আফগানিস্তানের সঙ্গেও ফের সংঘাতে জড়িয়ে পড়তে পারে পাকিস্তান। চলতি বছরে ডুরান্ড লাইনের একাধিক এলাকায় সংঘাতে জড়িয়েছে ইসলামাবাদ ও কাবুল। আগামী বছরে নতুন করে সেই সংঘাত শুরু হতে পারে বলে রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে। তবে পাকিস্তান-আফগানিস্তানের সংঘাত আমেরিকার উপর খুব একটা প্রভাব ফেলবে না বলেই মনে করা হচ্ছে।