Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / বিদেশ

খার্গ ও হরমুজ দখলে এবার স্থলপথে অভিযান আমেরিকার! চলছে প্রস্তুতি, পালটা হুমকি ইরানের

ইরানে স্থলপথে অভিযানের প্রস্তুতি গত কয়েক সপ্তাহ ধরেই চালাচ্ছে পেন্টাগন। তবে, পুরোদমে যুদ্ধ নয়। আপাতত খার্গ দ্বীপ ও হরমুজ প্রণালী সংলগ্ন অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলিতে সীমিত আকারে অভিযান চালাতে চায় মার্কিন বাহিনী।

খার্গ ও হরমুজ দখলে এবার স্থলপথে অভিযান আমেরিকার! চলছে প্রস্তুতি, পালটা হুমকি ইরানের
  • ৩০ মার্চ, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

ওয়াশিংটন: ইরানে স্থলপথে অভিযানের প্রস্তুতি গত কয়েক সপ্তাহ ধরেই চালাচ্ছে পেন্টাগন। তবে, পুরোদমে যুদ্ধ নয়। আপাতত খার্গ দ্বীপ ও হরমুজ প্রণালী সংলগ্ন অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলিতে সীমিত আকারে অভিযান চালাতে চায় মার্কিন বাহিনী। ওয়াশিংটন পোস্টকে এমনটাই জানিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের একাধিক আধিকারিক। পালটা হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরানও। তাদের সাফ বার্তা, ইরানের মাটিতে পা রাখলে, ফিরতে হবে কফিনে। ইরানের ইংরাজি দৈনিক সংবাদপত্র তেহরান টাইমস-এর  

Advertisement

স্থলপথে অভিযানে আমেরিকার প্রস্তুতি নিয়ে আগেই ইঙ্গিত মিলেছে। ইতিমধ্যেই উপসাগরীয় অঞ্চলে মোতায়েন করা হয়েছে মেরিন কম্যান্ডো। সম্প্রতি রণতরীতে আরও সাড়ে তিন হাজার সেনা পাঠানো হয়েছে। ওই আধিকারিকরা জানিয়েছেন, ইরানের মাটিতে সম্ভবত বিশেষ অভিযান এবং পদাতিক বাহিনীর আকস্মিক আক্রমণের উপরই ভরসা করছে মার্কিন সেনা। কোন পথে অভিযান চলবে, সেই সিদ্ধান্তের পুরোটাই নির্ভর করছে মার্কিন প্রেসিডেন্টের মর্জির উপর। যদিও হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট বলেছেন, ‘সেনার কম্যান্ডার-ইন-চিফ যাতে যুদ্ধক্ষেত্রে সবরকম সুবিধা পান, তার প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সেরে রাখাই পেন্টাগনের কাজ। এর অর্থ এই নয় যে, প্রেসিডেন্ট কোনো সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছেন। 
ইরানের পালটা হুংকার, মার্কিন সেনার স্থলপথে হানা রুখতে তারা তৈরি। আগেই জানা গিয়েছিল, স্থলযুদ্ধের জন্য ১০ লক্ষ তরুণকে সেনায় নিয়োগ করেছে তেহরান। ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মহম্মদ বাঘের ঘালিবাফ বলেছেন, ‘শত্রুপক্ষ (আমেরিকা) প্রকাশ্যে আলোচনার জন্য বার্তা পাঠাচ্ছে। আর গোপনে স্থলযুদ্ধের প্রস্তুতি চালাচ্ছে। ওরা জানে না, ইরানের মাটিতে পা রাখলে মার্কিন স্থলসেনাকে পোড়ানোর জন্য আমাদের সেনারাও অপেক্ষা করছে। ওদের সঙ্গী দেশগুলিকেও চিরকালের জন্য শাস্তি দেওয়া হবে। আমরা গুলিবর্ষণ আর মিসাইল হামলা বন্ধ করব না।’ মার্কিন আধিকারিকদের দাবি, হরমুজ প্রণালীর নিয়ন্ত্রণ ইরানের হাত থেকে কেড়ে নেওয়াই এখন ট্রাম্পের প্রধান মাথাব্যথা। এর সঙ্গেই খার্গ দ্বীপেরও দখল চাইছেন তিনি। কারণ, ওই দ্বীপ ইরানের বৃহত্তম জ্বালানি তেল রপ্তানি কেন্দ্র। হরমুজ আর খার্গ দখল করতে পারলেই ইরানের অর্থনৈতিক মেরুদণ্ড ভেঙে দেওয়া সম্ভব হবে বলে মনে করছেন ট্রাম্প। তাই আপাতত ওই দুটি এলাকাতেই সেনা অভিযানের ছক কষছেন তিনি।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ