স্বাধীনতা দিবসের আগে সব রাজ্যকে সতর্কতা, স্ট্র্যাটেজি বদলাচ্ছে লস্কর-জয়েশ, নিশানায় জনবহুল স্থান
  • ১৮ জুলাই, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: রেলস্টেশন, বাস টার্মিনাস, মেট্রো রেল নেটওয়ার্ক— জঙ্গিদের পরবর্তী টার্গেট কি এগুলোই? বিগত ১০ বছর ধরে লাগাতার প্রধানত কাশ্মীরকে লক্ষ্য করেই চলছে নাশকতা। পাঠানকোট, উরি, পুলওয়ামা, শ্রীনগর, পহেলগাঁও। সেখানে বিস্ফোরণ, গণহত্যা এবং সেনাবাহিনীর উপর হামলা। কিন্তু পহেলগাঁও কাণ্ডের পর নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তায় মুড়ে দেওয়া হয়েছে কাশ্মীরকে। সেই কারণেই কি স্ট্র্যাটেজি পাল্টে ফেলছে লস্কর-জয়েশ? অতীতের মতো ব্যস্ত জনবহুল স্থান আবার নিশানায়? এরকমই সংকেত ও বার্তা পাচ্ছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের কাছে ইনপুট এসেছে, পুনরায় অতীতের মতো প্ল্যান করছে জঙ্গিরা। রেলস্টেশন, ট্রেন, মেট্রো, বাস টার্মিনাস। রাজ্যগুলিকেও সেই সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে। তাতে বলা হয়েছে, এই ভাইটাল ইনস্টলেশনগুলিতে নিয়মিত নিরাপত্তার বলয় দিতে হবে। সঙ্গে প্রয়োজন প্রস্তুতি। বৃহস্পতিবার দিল্লির কাশ্মীরি গেট ইন্টার স্টেট বাস টার্মিনাসে হয়েছে দিল্লি পুলিশের সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান। মক ড্রিলের আওতায় ছিল বাস টার্মিনাস এবং মেট্রো রেল। ঠিক এভাবেই আরও ১০টি স্থান নির্ধারণ করা হয়েছে। আগামী একমাস ধরে দিল্লিতে চলবে এই মক ড্রিল ও সন্ত্রাস প্রতিরোধী প্রস্তুতি। পাশাপাশি অন্য রাজ্যকেও বলা হচ্ছে শুরু করতে। কারণ, স্বাধীনতা দিবস একমাসও যে বাকি নেই।  নয়াদিল্লির ক্লারিডগেস হোটেলে মহড়া এনএসজি কমান্ডোদের। বৃহস্পতিবার পিটিআইয়ের তোলা ছবি। 

Advertisement