নয়াদিল্লি: বাতাসে বিষ! দিল্লি-এনসিআর অঞ্চলের বায়ুদূষণ নিয়ে মঙ্গলবার এয়ার কোয়ালিটি ম্যানেজমেন্ট কমিশনকে (সিএকিউএম) তুলোধোনা করল সুপ্রিম কোর্ট। দেশের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত ও বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর বেঞ্চ তোপ দেগে বলেছে, সিএকিউএম দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ। দূষণের যাবতীয় দোষ হামেশাই কৃষকদের (নাড়া পোড়ানো) উপর চাপিয়ে দায়িত্ব ঝেড়ে ফেলা হয়। অন্যান্য ফ্যাক্টরগুলির ভূমিকা নিয়ে পর্যাপ্ত বিশ্লেষণ করাই হয় না। সুপ্রিম কোর্টের যুক্তি, কোভিড-১৯ মহামারী পর্বেও কৃষকরা প্রচুর পরিমাণে নাড়া পুড়িয়েছেন। তা সত্ত্বেও দিল্লি পরিষ্কার নীল আকাশ দেখেছে। অর্থাৎ দূষণের উৎস যে আরও জটিল, এটা তারই ইঙ্গিত। সেটা বুঝতে আরও গভীর বিশ্লেষণ দরকার। তাই দেশের প্রধান বিচারপতির বেঞ্চের প্রশ্ন, ‘আপনারা কি দূষণের কারণগুলি আদৌ শনাক্ত করতে পেরেছেন? সেসব না করে (টোল প্লাজা ইস্যুতে) দু’মাসের মুলতুবি চেয়ে দরবার করছেন!’ তাই শীর্ষ আদালতের নির্দেশ, দু’সপ্তাহের মধ্যে বিশেষজ্ঞদের নিয়ে বৈঠকে বসতে হবে। দূষণ পরিস্থিতির ক্রমাবনতির বড় কারণগুলি কী, তা নিয়ে বিজ্ঞান ভিত্তিক সুস্পষ্ট রিপোর্ট পেশ করা দরকার। দীর্ঘমেয়াদি সমাধানে কী কী করা দরকার, তার রূপরেখা বানাতে হবে। সেই রিপোর্ট জনসমক্ষেও প্রকাশ করতে হবে। একইসঙ্গে বায়ুদূষণের ইস্যুতে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের পর্যবেক্ষণ, ‘সাইকেল চালানো ছেড়ে মানুষ এখন গাড়ি কেনার জন্য টাকা জমায়। চার-চাকা স্টেটাস সিম্পল হয়ে উঠেছে।’ সুপ্রিম কোর্টের কড়া দাওয়াই, বায়ুদূষণের কারণ নিয়ে মনগড়া তত্ত্ব ভাসিয়ে দেওয়ার পরিবর্তে বৈজ্ঞানিক



