


নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: নিজেরা ভোট কর্মী। কিন্তু তাঁরা ভোট দিতে পারছেন না। সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করেও অবশ্য কোনো সুরাহা হল না। শুক্রবার শীর্ষ আদালত জানিয়ে দিল, ট্রাইবুনালে আবেদন করুন। ভোটার তালিকায় নাম না থাকায় শীর্ষ আদালতে আবেদন করেছেন ৬৫ জন ভোটকর্মী। তাঁদের কেউ পোলিং অফিসার, কেউ প্রিসাইডিং অফিসার। অথচ তাঁদের নামে কোনো পোস্টাল ভোটই নেই। ট্রাইবুনালে আবেদন করেও কোনো সুরাহা হয়নি বলে আবেদন জানান। এদিন প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিচারপতি বিপুল এম পাঞ্চোলির বেঞ্চে ছিল বাংলার এসআইআর (স্পেশাল ইন্টেনসিভ রিভিশন) মামলার শুনানি। বেঞ্চ জানিয়ে দিল, ট্রাইবুনালে আবেদন করুন। কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির কাছে আবেদন জানান যাতে ট্রাইবুনাল সুপ্রিম কোর্টে আবেদনকারীদের অগ্রাধিকার দেয়। বিচারপতি বাগচীর মন্তব্য, এবার ভোট দিতে না পারলেও ভবিষ্যতে যাতে ভোটাধিকার থাকে, তা নিশ্চিত হওয়া দরকার।
পশ্চিমবঙ্গে প্রথম দফাতেই পশ্চিমবঙ্গে রেকর্ড পরিমাণ ভোট পড়েছে। এদিন শুনানিতে তা নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন প্রধান বিচারপতি। বলেন, একজন সাধারণ নাগরিক হিসেবে আমি অত্যন্ত খুশি। বিচারপতি বাগচী যোগ করেন, বাংলার একটা প্রচলিত প্রবাদ আছে। রাজায় রাজায় যুদ্ধ হয়, উলু খাগড়ার প্রাণ যায়। এবার সেই পরিস্থিতি তৈরি হয়নি। কিন্তু ট্রাইবুনালের কাজের গতি নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তৃণমূলের আবেদনকারীদের আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। বলেন, বিবেচনাধীনে বাতিল ২৭ লক্ষ ভোটারের মধ্যে মাত্র ১৩৯ জনের নাম যুক্ত হয়েছে। বাকিরা তাহলে কী করে ভোট দেবেন? যদিও প্রধান বিচারপতি জানিয়ে দিলেন, কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি সুজয় পালের কাছে মামলাকারীরা যেতে পারেন। এরপরেই হালকা চালে এদিন আদালতে উপস্থিত নির্বাচন কমিশনের আইনজীবী দামা শেষাদ্রি নাইডুকে আত্মপ্রত্যয়ের সঙ্গে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, যাই করুন। তৃণমূলই ফের ক্ষমতায় ফিরছে। ৪ মে বাংলায় আসুন। আপনাকে নৈশভোজ খাওয়াব। অন্যদিকে, মালদহের মোথাবাড়ির ঘটনায় এনআইএ তদন্তে চার্জশিট পেশ করার জন্য আরো সময় দিল সুপ্রিম কোর্ট।