নয়াদিল্লি: ‘এতদিন ইন্ডিগোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে আপনারা কি অসহায় বোধ করছিলেন? প্রথমে পরিস্থিতি খারাপ হতে দিলেন আর তারপর ব্যবস্থা নিলেন? সংকট গভীর হতে দিলেন কেন?’ ইন্ডিগোর উড়ান বাতিল হওয়ার সংখ্যা কমলেও বুধবারও যাত্রী হেনস্তা অব্যাহত। এদিনও দেশজুড়ে দুশোর বেশি উড়ান বাতিল হয়েছে। এরইমাঝে বিগত কয়েকদিনের পরিস্থিতি নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারকে এভাবেই ভর্ৎসনা করল দিল্লি হাইকোর্ট। এই বিপর্যয়ের মধ্যে অপ্রত্যাশিতভাবে ভাড়া বৃদ্ধি নিয়েও সরব হয়েছে আদালতের প্রধান বিচারপতি দেবেন্দ্র কুমার উপাধ্যায় ও বিচারপতি তুষার রাওয়ের ডিভিশন বেঞ্চ। কোর্টের প্রশ্ন, কীভাবে এই প্রতিকূল পরিস্থিতির সুযোগ নিল অন্যান্য বিমানসংস্থাগুলি? কীভাবে টিকিটের দাম ৪০ হাজার পর্যন্ত বাড়িয়ে দিল? যে টিকিটের দাম ৫ হাজার টাকা ছিল, তা বেড়ে ৩০-৩৫ হাজার টাকা হয়ে গেল! ২২ জানুয়ারি এই জনস্বার্থ মামলার পরবর্তী শুনানি। আদালতের বক্তব্য, এই সংক্রান্ত কোনও তদন্ত সম্পূর্ণ হলে, পরবর্তী শুনানির দিন সেই রিপোর্ট জমা দিতে হবে। যদিও বিপর্যয় মোকাবিলায় কী কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, তা আদালতে তুলে ধরেন অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল। সব শোনার পরও সংকট পরিস্থিতি নিয়ে একের পর এক প্রশ্ন তোলে প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ।



