লখনউ: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির লোকসভা কেন্দ্র বারণসীতে গণধর্ষণের শিকার দ্বাদশের এক পড়ুয়া। ২৯ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত এক সপ্তাহ ধরে ২৩ জন তাকে লাগাতার ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ উঠেছে। গণধর্ষণে যুক্ত থাকার অভিযোগে সোমবার পর্যন্ত ছ’জনকে আটক করেছে উত্তরপ্রদেশ পুলিস। সোমবার পুলিস জানিয়েছে, ওই কিশোরী স্পোর্টস কোর্সে ভর্তির প্রস্তুতি নিচ্ছে। প্র্যাকটিসের জন্য সে প্রতিদিন বারণসীর ইউপি কলেজে যেত। কিশোরীর বয়ান অনুযায়ী, ২৯ মার্চ প্র্যাকটিসের পর এক বন্ধু তাকে পিশাচমোচন এলাকার একটি হুক্কা বারে নিয়ে যায়। সেখানে মাদক মেশানো ঠান্ডা পানীয় খেয়ে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। এরপর তাকে সিগ্রা এলাকায় হোটেলে নিয়ে গিয়ে গণধর্ষণ করা হয়।
পুলিস জানিয়েছে, হুক্কা বারে আগে থেকেই তার অনেক চেনাজানা ব্যক্তি ছিল। এদের মধ্যে বেশ কয়েছকজন তার সহপাঠী। বাকিদের সঙ্গে ইনস্টাগ্রামে পরিচয়। অনেক খোঁজাখুঁজির পরেও এক সপ্তাহ মেয়ে বাড়ি না ফেরায় ৪ এপ্রিল থানায় নিখোঁজের ডায়েরি করে কিশোরীর পরিবার। কাকতালীয়ভাবে ওইদিনই সে বাড়ি ফিরে আসে। তখন অবশ্য গণধর্ষণ বা কোনওরকম হয়রানির অভিযোগ জানানো হয়নি। পরে রবিবার লালপুর থানায় পরিবারের পক্ষ থেকে গণধর্ষণের অভিযোগ দায়ের করা হয়।
এরপর পুলিস হুক্কা বারের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ খতিয়ে দেখেছে। সেখানকরা কর্মীদেরও জিজ্ঞাসাবাদ করে ২৩ জনের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করে পুলিস। এদের মধ্যে ১১ জনকে চিহ্নিত করা যায়নি। ৬ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিস। তবে কিশোরী নাবালিকা নয় বলে পুলিস জানিয়েছে।