


নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: এসআইআর পর্বে সাধারণ মানুষের জন্য রাজ্যজুড়ে বাংলা সহায়তা কেন্দ্রে ‘মে আই হেল্প ইউ’ ক্যাম্পে চালু করা হয়েছে। যেখানে জাতিগত শংসাপত্র, জন্ম-মৃত্যু শংসাপত্র, ডোমিসাইল সার্টিফিকেটের মতো নথি পেতে সহজেই আবেদন জানানো যাচ্ছে। সূত্রের খবর, ১ ডিসেম্বর থেকে চালু হওয়া এই ক্যাম্পগুলির মাধ্যমে এখনো পর্যন্ত এই তিনধরনের নথি চেয়ে ২ লক্ষাধিক আবেদন জমা পড়েছে। তার মধ্যে সর্বাধিক আবেদন জমা পড়েছে জাতিগত শংসাপত্র বা কাস্ট সার্টিফিকেটের জন্য।
প্রতিটি জেলাশাসক, এসডিও, বিডিও অফিস ছাড়াও গ্রাম পঞ্চায়েতে এই বিশেষ শিবির চালানো হচ্ছে। ব্যবহার করা হচ্ছে বাংলা সহায়তা কেন্দ্রে পরিকাঠামো। ফলে বাড়ির অদূরেই নিখরচায় এই সমস্ত নথির জন্য অনলাইনে আবেদন করতে পারছেন রাজ্যবাসী। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে এই মে আই হেল্প ইউ শিবির চালু করা হয়েছে। এসআইআর শুনানিতে ডাক পেলে ভোটাধিকার রক্ষার ক্ষেত্রে জাতিগত শংসাপত্র, বার্থ সার্টিফিকেট এবং ডোমিসাইল সার্টিফিকেট গুরুত্বপূর্ণ নথি। নির্বাচন কমিশনের ঠিক করে দেওয়া ১৩টির মধ্যে তিনটি। রাজ্যের পরিসংখ্যান বলছে, ২০২৫ সালের ১ ডিসেম্বর থেকে এবছরের ২৯ জানুয়ারি পর্যন্ত জাতিগত শংসাপত্রের জন্য এই শিবিরের মাধ্যমে সর্বাধিক ৪০ হাজার ৬৮৩টি আবেদন করা হয়েছে। সবথেকে কম আবেদন জমা পড়েছে কলকাতায়, মাত্র ২১টি। একজন ব্যক্তি নির্দিষ্ট একটি ঠিকানায় ১০ বছরের বেশিকাল বসবাস করার প্রমাণপত্র হল ডোমিসাইল সার্টিফিকেট। এর জন্য গোটা রাজ্য থেকে এই শিবিরের মাধ্যমে আবেদন জমা পড়েছে ৩২,১৫৭টি। আর জন্ম-মৃত্যু শংসাপত্রের আবেদনের সংখ্যা ২৮,৮৭২। এসআইআর ইনিউমরেশন ফর্ম দেওয়া চালু হয়েছে ২৭ অক্টোবর। রাজ্যের পরিসংখ্যান বলছে, তারপর থেকেই এই সমস্ত নথির আবেদন সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। ওই মাসে বাংলা সহায়তা কেন্দ্রগুলি থেকে জাতিগত শংসাপত্র পেতে আবেদন জমা পড়েছিল ৪১,৫৮৩টি। সংখ্যাটি নভেম্বর মাসে বেড়ে হয় ৬৯,৯৩৩। আর মে আই হেল্প ইউ ক্যাম্প চালু হতেই সেই সংখ্যা একলাফে অনেকটা বেড়েছে। জানাচ্ছে রাজ্য প্রশাসন।