Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

নামী ব্র্যান্ডের হাতঘড়ি সস্তায় টোপ দিয়ে প্রতারণা, যুবক আটক

ইনস্টাগ্রামে ভুয়ো প্রোফাইল খুলে নামী ব্র্যান্ডের হাতঘড়ি সস্তায় বিক্রির টোপ দেয়। তারপর সাধারণ মানুষের লক্ষ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করে।

নামী ব্র্যান্ডের হাতঘড়ি সস্তায়  টোপ দিয়ে প্রতারণা, যুবক আটক
  • ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৬:০২
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, জঙ্গিপুর: ইনস্টাগ্রামে ভুয়ো প্রোফাইল খুলে নামী ব্র্যান্ডের হাতঘড়ি সস্তায় বিক্রির টোপ দেয়। তারপর সাধারণ মানুষের লক্ষ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করে। বৃহস্পতিবার দুপুরে প্রতারণার অভিযোগে এক যুবককে আটক করেছে রঘুনাথগঞ্জ থানার পুলিশ। আটক যুবক সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজেকে রনি মোল্লা বলে পরিচয় দেয়। তার বাড়ি রঘুনাথগঞ্জ থানার উমরপুর এলাকায়। একাজে স্থানীয় মাদকাসক্তদের অর্থের লোভ দেখিয়ে সিম কার্ড ও ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করত। দীর্ঘদিন ধরেই সে এই জালিয়াতি চালাচ্ছিল। এদিন স্থানীয়রা প্রতারকের বাড়িতে এসে যায়। তখন তাদের মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ যায়।

Advertisement

পুলিশ জানিয়েছে, স্থানীয় কয়েকজনের নামে কলকাতা সাইবার থানায় প্রতারণার অভিযোগ দায়ের হয়। এই ঘটনায় এক যুবকের নাম উঠে আসে। ওই যুবককে আটক করা হয়েছে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, আটক যুবক ইনস্টাগ্রামে একাধিক ভুয়ো অ্যাকাউন্ট তৈরি করেছিল। সেখানে সে নামী ব্র্যান্ডের ঘড়ির ছবি দিয়ে বিজ্ঞাপন দিত। দামি ঘড়ি অবিশ্বাস্য কম দামে পাওয়ার আশায় অনেকে তার ফাঁদে পা দিতেন। গ্রাহকরা ঘড়ি কেনার জন্য অনলাইনে টাকা পাঠালেই গ্রাহকদের সঙ্গে সমস্ত যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দিত। তদন্তে উঠে এসেছে আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য। নিজের পরিচয় গোপন রাখতে প্রতারক এলাকার মাদকাসক্ত যুবকদের টার্গেট করত। সামান্য কিছু টাকার লোভ দেখিয়ে সে ওই মাদকাসক্তদের নামে সিম কার্ড এবং ব্যাংক অ্যাকাউন্ট জোগাড় করত। জালিয়াতির যাবতীয় টাকা লেনদেন হত ওইসব অ্যাকাউন্টের মাধ্যমেই।
প্রায় দিন দশেক আগে কলকাতা পুলিশের হেডকোয়ার্টারে সাইবার থানায় এই জালিয়াতি নিয়ে একাধিক লিখিত অভিযোগ জমা পড়ে। তদন্ত শুরু করতেই পুলিশ জানতে পারে, যে সিম কার্ড এবং ব্যাংক অ্যাকাউন্টগুলি ব্যবহার করা হয়েছে সেগুলি রঘুনাথগঞ্জের উমরপুর এলাকার কয়েকজন যুবকের। কলকাতা সাইবার থানার নোটিস ও অভিযোগের খবর আসতেই ওই সিম ও ব্যাংক অ্যাকাউন্ট মালিকরা বিপাকে পড়েন। নিজেদের নির্দোষ প্রমাণ করতে এবং আইনি জটিলতা থেকে বাঁচতে তাঁরা রনি মোল্লার বাড়িতে চড়াও হয়।  বিষয়টি জানাজানি হতেই এলাকায় শোরগোল পড়ে যায়। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে ওই যুবককে আটক করে।
পুলিশের ভ্যানে তোমার সময় অভিযুক্ত যুবক বলেন, আমার নামে কোনো অভিযোগ নেই। কয়েকজন যুবকের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ও সিমকার্ড ভাড়া নিয়েছিলাম। সেগুলো ফ্রিজ হয়ে গিয়েছে। তাদের বলেছি সেটা ঠিক করে দেব।

সম্পর্কিত সংবাদ