


সংবাদদাতা, শিলিগুড়ি: শিশুর চিকিৎসা করাতে গিয়ে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল থেকে রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ এক বধূ। গত সোমবার ফাঁসিদেওয়া ব্লকের চটহাটের ক্ষুদিগছে বাসিন্দা আখতার আলি তাঁর পাঁচ বছরের পূত্র সন্তানকে ডাক্তার দেখাতে এসেছিলেন। সঙ্গে ছিলেন তাঁর স্ত্রী রেহেনা বেগমও। শিশু বিভাগের আউটডোরে সন্তানকে ডাক্তার দেখিয়ে বেরিয়ে আসার পর রেহেনা শৌচালয়ে যান। তারপর থেকে তাঁর কোনও খোঁজ নেই। বধূর স্বামী উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ ফাঁড়িতে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। মঙ্গলবার হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে স্ত্রীর নিখোঁজের বিষয়টি লিখিত জানান আখতার। তারপর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের তৎপরতায় সিসি ক্যামেরার ফুটেজ খতিয়ে দেখা শুরু হয়।
এদিন বিকেলে আখতার বলেন, সব ফুটেজ দেখার পর দু’টি জায়গায় আমার স্ত্রীর সঙ্গে মিল রয়েছে, এমন এক মহিলাকে দেখা যাচ্ছে। খাদ্যছায়া ক্যান্টিনের পাশ দিয়ে দ্রুত বেগে তিনি হেঁটে যাচ্ছেন। আমার স্ত্রীর সবকিছুর সঙ্গে মিল পেয়েছি। কিন্তু, ওড়নাটি আলাদা হওয়ায় নিশ্চিত হতে পারছি না। আমার স্ত্রী যে ওড়না পড়ে হাসপাতালে এসেছিল, সেরকম কিছু ওই মহিলার গায়ে নেই। অন্য ওড়না পরে রয়েছেন তিনি। নিশ্চিত হতে ওই রাস্তায় থাকা আরও দু’টি সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখার অপেক্ষা রয়েছি।
সন্তানকে ডাক্তার দেখিয়ে আউটডোর থেকে আখতার ও তাঁর স্ত্রী একই সঙ্গে বেরিয়ে আসেন। আখতার বলেন, ফার্মেসিতে গিয়েছিলাম। তখন স্ত্রী শৌচালয়ে যাওয়ার কথা বলে। ফার্মেসিতে ভিড় থাকায় কিছুক্ষণের মধ্যে ফিরে আসি। তখনও স্ত্রী না আসায় শৌচালয়ে খোঁজ করি। সেখানে তাকে পাওয়া যায়নি। মোবাইল সুইচড অফ বলছে। বাড়িতে তাঁর আধার কার্ড, টাকা, গয়না সবই রয়েছে। কিছুই নিয়ে যায়নি।
মেডিক্যাল ফাঁড়ির পুলিস তদন্ত শুরু করেছে।