Bartaman Logo
৯ অক্টোবর, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

বাংলায় ট্রাইবুনালে আবেদনকারীদের নামও কি উঠবে বিশেষ অভিযানে?

দেশজুড়ে কঠোর সমালোচনা এবং প্রতিবাদের মুখে পড়ে ভোটারদের নতুন করে নাম তুলতে বিশেষ অভিযান শুরু করেছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন (ইসিআই)

বাংলায় ট্রাইবুনালে আবেদনকারীদের নামও কি উঠবে বিশেষ অভিযানে?
  • ৯ অক্টোবর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: দেশজুড়ে কঠোর সমালোচনা এবং প্রতিবাদের মুখে পড়ে ভোটারদের নতুন করে নাম তুলতে বিশেষ অভিযান শুরু 

Advertisement

করেছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন (ইসিআই)। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গে যাঁরা ট্রাইবুনালে আবেদন করেছেন, এই অভিযানের আওতায় তাঁরা কি অন্তর্ভুক্ত হতে পারবেন? বিষয়টি জানতে চেয়ে সরাসরি দিল্লিতে কমিশনের দপ্তরে চিঠি দিলেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনি আধিকারিক (সিইও) নীলম মিনা। 
সূত্রের খবর, সিইওর তরফে পাঠানো এই প্রশ্নের সরাসরি জবাব এখনো কমিশনের কর্তারা দেননি। দিল্লি থেকে জানানো হয়েছে, বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হবে। এজন্য আপাতত রীতিমতো বিভ্রান্ত সিইও দপ্তর। কারণ যেসব ব্যক্তি ইতিমধ্যেই নাম অন্তর্ভুক্তির জন্য ট্রাইবুনালের দ্বারস্থ হয়েছেন, এখন তাঁরা যদি ৬ নম্বর ফর্ম মারফত ভোটার তালিকায় নাম তোলার জন্য আবেদন করেন সেক্ষেত্রে তার ভবিষ্যৎ কী হবে? কোনো স্পষ্ট নির্দেশিকা মেলেনি। ফলে কমিশনের ঘোষণা অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গে আদৌ এই অভিযান সফল হবে কি না তা নিয়ে ঘোরতর সংশয়ে সিইও দপ্তরের কর্তা ব্যক্তিরাই। 
গত এসআইআরে রাজ্যে অন্তত 
৯১ লক্ষ ভোটারের নাম বাদ গিয়েছে। কমিশনের তরফে এই বিশেষ অভিযানের কথা ঘোষণার পরই 
সিইও দপ্তর জানায়, যেসব ভোটারের নাম ভুলবশত বাদ গিয়েছে তাঁরা ৬ নম্বর ফরম জমা দিতে পারবেন। সেক্ষেত্রে অনুপস্থিত, অন্যত্র চলে গিয়েছেন অথবা ভুলবশত মৃত তালিকায় নাম চলে গিয়েছে এবং অন্যকোনো কারণে ভোটাধিকারে বঞ্চিত হলে সমাধান পাবেন। অনলাইন অথবা বিএলও মারফত এই ফর্ম পূরণ করা যাবে। 
কিন্তু প্রশ্ন উঠছে, যাঁরা ট্রাইবুনালে গিয়েছেন তাঁদের বেশিরভাগেরই দাবি তাঁরা ‘যোগ্য’ ভোটার। তা সত্ত্বেও তাঁদের নাম বাদ গিয়েছে। সেক্ষেত্রে তাঁরা এই অভিযানের অন্তর্ভুক্ত হতে পারবেন কি না তা নিয়ে খোদ কমিশনই অন্ধকারে। এর মধ্যে আবার এদিন সিইও দপ্তরের তরফে জানানো হয়েছে, যে-সমস্ত মানুষ নাইটশেল্টারগুলিতে থাকেন কিংবা গৃহহীন, তাঁরাও এই বিশেষ 
অভিযান থেকে বাদ যাবেন না। কিন্তু ট্রাইবুনালে আবেদনকারীদের ক্ষেত্রে কী হবে, তা স্পষ্ট করেনি কমিশন। বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য, আসলে দেশজুড়ে কঠোর সমালোচনা এবং চাপের মুখে পড়েই এই বিশেষ অভিযানের ঘোষণা করা হয়েছে। কিন্তু তার বাস্তবায়নের রূপরেখা কমিশনের কাছে এখনো নেই। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ