Bartaman Logo
১ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

‘ডবল ইঞ্জিন’ হল, বিমানবন্দর কি চালু হবে? প্রশ্ন বালুরঘাটে

‘ডবল ইঞ্জিন’ সরকার তৈরি হয়েছে। এবার কি চালু হবে বালুরঘাটে উড়ান পরিষেবা? রাজ্যে পালাবদলের পর এই প্রশ্নই ঘুরপাক খাচ্ছে সবার মনে।

‘ডবল ইঞ্জিন’ হল, বিমানবন্দর কি চালু হবে? প্রশ্ন বালুরঘাটে
  • ১৪ মে, ২০২৬ ১৫:০৫
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, গঙ্গারামপুর: ‘ডবল ইঞ্জিন’ সরকার তৈরি হয়েছে। এবার কি চালু হবে বালুরঘাটে উড়ান পরিষেবা? রাজ্যে পালাবদলের পর এই প্রশ্নই ঘুরপাক খাচ্ছে সবার মনে। অপেক্ষা অবসানের আশায় রয়েছেন গোটা দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার মানুষ। জেলাবাসীর আশা, কেন্দ্র ও রাজ্যে একই দলের শাসন থাকায় এবার বালুরঘাট বিমানবন্দর থেকে উড়ান পরিষেবা চালু করতে কোনো সমস্যা থাকবে না। 

Advertisement

বালুরঘাট বিমানবন্দর নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে জেলার রাজনীতি সরগরম। বিধানসভা থেকে লোকসভা- প্রতিটি নির্বাচনের আগে বিমান পরিষেবা ইস্যুতে শাসক ও বিরোধী শিবির একে অপরকে দোষারোপ করেছে। বিমানবন্দরের পরিকাঠামোগত উন্নয়নের কাজ সম্পন্ন হলেও উড়ান পরিষেবা চালু হয়নি।
সূত্রের খবর, ২০১৪ সালে কেন্দ্রীয় সরকার বালুরঘাট ও মালদহ বিমানবন্দর পরিচালনায় রাজ্যকে দায়িত্ব দেয়। সেই চুক্তি অনুযায়ী রাজ্য সরকার চাইলে উড়ান পরিষেবা চালু করতে পারত। পরবর্তীতে রাজ্যের পূর্তদপ্তর বিমানবন্দরের পরিকাঠামো উন্নয়নও করে। কিন্তু তারপরও বালুরঘাট বিমানবন্দরে উড়ান চালু হয়নি। 
গত এক দশকে একাধিকবার কেন্দ্র ও রাজ্যের প্রতিনিধিদল বিমানবন্দর পরিদর্শন করেছে। উড়ান পরিষেবা চালুর সম্ভাবনা খতিয়ে দেখা হলেও প্রশাসনিক জট কাটেনি। বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমান পরিকাঠামোয় ছোটো আকারের এটিআর বা ২০ আসনের কম যাত্রীবাহী বিমান পরিষেবা চালু করা সম্ভব। গঙ্গারামপুরের বাসিন্দা নরেন্দ্র সাহা বলেন, আমাদের প্রান্তিক জেলা থেকে কলকাতায় যেতে প্রায় ৪০০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিতে হয়। ট্রেন বা বাসে অনেক সময় লাগে। জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত যোগাযোগের ব্যবস্থা নেই। বালুরঘাট বিমানবন্দর চালু হওয়া খুবই প্রয়োজন।
এবার ডবল ইঞ্জিন সরকার গঠনের পর নতুন করে আশার আলো দেখছেন জেলার মানুষ। দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার ৬টি বিধানসভা আসনের মধ্যে ৪টিতেই বিজেপির জয় এবং বালুরঘাট লোকসভা কেন্দ্রও বিজেপির দখলে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের দাবি, এবার কেন্দ্র ও রাজ্যের সমন্বয়ে বিমান পরিষেবা চালুর সম্ভাবনা অনেকটাই বেড়েছে।
কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার বলেন, পরিকাঠামো থাকা সত্ত্বেও এতদিন রাজ্য সরকার উড়ান পরিষেবা চালু করেনি। ১২ বছর কেটে গিয়েছে। এবার আমরা বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখছি। আমি নিজে কথা বলব। পাশাপাশি আমাদের বিধায়করাও বিধানসভার ভিতরে ও বাইরে এই দাবি তুলবেন। দ্রুত জেলাবাসী বিমান পরিষেবা পাবেন বলে আমরা আশাবাদী। ভবিষ্যতে কলকাতা-বালুরঘাট, বালুরঘাট-গুয়াহাটি এবং বালুরঘাট-বাগডোগরা রুটে বিমান পরিষেবা চালুর সম্ভাবনা রয়েছে।এবিষয়ে তৃণমূলের জেলা সভাপতি সুভাষ ভাওয়াল বলেন, বিমানবন্দরের পরিকাঠামোর কাজ রাজ্য সরকার আগেই সম্পূর্ণ করেছে। এতদিন কেন্দ্রের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রক অনুমতি দেয়নি। এখন রাজ্যে বিজেপি সরকার। তারা অনুমতি দিক।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ