


নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: একদিকে আর জি কর কাণ্ডে তিন আইপিএসকে সাসপেন্ড করা, অন্যদিকে রাজ্যের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার উন্নতিতে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর বৈঠক—পরপর দুই ঘটনাক্রমের পর শনিবার উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হল স্বাস্থ্যক্ষেত্রে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী স্বাস্থ্য ব্যবস্থার উন্নতিতে শুক্রবার যেসব বার্তা দিয়েছেন, সেগুলি রাজ্যের সমস্ত জেলার সিএমওএইচ এবং গুরুত্বপূর্ণ হাসপাতালগুলির সুপারদের কাছে পৌঁছে দিতে এদিন ভার্চুয়াল বৈঠক করেন স্বাস্থ্যসচিব নারায়ণস্বরূপ নিগম। বিশেষত এখন রাজ্যজুড়ে বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে পরিদর্শনে যাচ্ছেন নবনির্বাচিত বিজেপি বিধায়করা। সেই পরিস্থিতিতে প্রতিটি সরকারি হাসপাতালের পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা বাড়াতে জোর দিতে বলেন। পাশাপাশি রেফার কমানো এবং ইমার্জেন্সি কেয়ারেও বাড়তি গুরুত্ব দেন। বেড না পাওয়ার অভিযোগের সমাধানে সেন্ট্রাল মনিটরিং হবে বলে জানান।
একাধিক হাসপাতালের সুপার ও জেলার সিএমওএইচদের সচিব বলেন, আপনারা বলছেন, বুকে ব্যথা হলে দেখার মতো ডিএম কার্ডিওলজি ডাক্তার নেই। হাসপাতালে তো এমডি মেডিসিন ডাক্তার আছেন? তাঁরা হার্ট অ্যাটাকের রোগী দেখতে পারেন না? প্রাইভেটে তো দেখেন দিব্য! এদিনের ভার্চুয়াল বৈঠক থেকে এও পরিষ্কার হয়েছে, নতুন সরকার সুন্দরবন এবং জঙ্গলমহলের স্বাস্থ্য পরিষেবা ঢেলে সাজাতে চলেছে। এই দুই বিস্তীর্ণ এলাকার সিএমএইচদের কাছ থেকে প্রস্তাব গ্রহণ করা হয়েছে। তাতে সুন্দরবন লাগোয়া ক্যানিং, কুলতলি, সাগর, রায়দিঘি প্রভৃতি জায়গায় নতুন হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যকেন্দ্র গড়ার কথা রয়েছে। কলকাতা মেডিকেল কলেজ এদিন রাতেই একটি নতুন সরকারি অ্যাম্বুলেন্স পাচ্ছে।