Bartaman Logo
১৬ আগস্ট, ২০২৬
বর্তমান / এই মুহূর্তে

বিপদসীমা উপরে বইছে কেলেঘাই নদীর জল, ভয়াবহ বন্যার আশঙ্কায় আতঙ্কিত এলাকাবাসী

চূড়ান্ত বিপদসীমা উপরে বইছে পটাশপুরের কেলেঘাই নদীর জল। নদীর জলস্তর বেড়ে যাওয়ায় পরিস্থিতি মোকাবিলায় যুদ্ধকালীন তৎপরতা শুরু করেছে সেচ দপ্তর।

বিপদসীমা উপরে বইছে কেলেঘাই নদীর জল, ভয়াবহ বন্যার আশঙ্কায় আতঙ্কিত এলাকাবাসী
  • ১৬ আগস্ট, ২০২৬ ১২:৩১
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, তমলুক: চূড়ান্ত বিপদসীমা উপরে বইছে পটাশপুরের কেলেঘাই নদীর জল। নদীর জলস্তর বেড়ে যাওয়ায় পরিস্থিতি মোকাবিলায় যুদ্ধকালীন তৎপরতা শুরু করেছে সেচ দপ্তর। আমগেছিয়া, বাড়মক্ষল, লক্ষ্মীরচক, তালছিটকিনি, জাতকাটা বাজার-সহ বিভিন্ন এলাকায় নদীবাঁধের উপর মাটিভর্তি বস্তা ফেলে বাঁধ রক্ষার চেষ্টা চলছে।

Advertisement

সেচ দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, রাতদিন প্রায় ৫০০ শ্রমিককে নদী বাঁধ মেরামতের কাজে নিয়োজিত করা হয়েছে। আমগেছিয়া এলাকায় সেচ দপ্তরের পক্ষ থেকে কন্ট্রোল রুমও খোলা হয়েছে। সেখানে ২৪ ঘণ্টা পরিস্থিতির উপর নজরদারি চালানো হচ্ছে। কন্ট্রোল রুমের দায়িত্বে রয়েছেন সেচ দপ্তরের এসডিও তানভীর আলম। আমগেছিয়া এলাকায় কেলেঘাই নদীর চূড়ান্ত বিপদসীমা বা ইডিএল সূচক ৬.৯ মিটার। সেখানে বর্তমানে নদীর জলস্তর পৌঁছেছে ৭.২২ মিটারে। ফলে বিপদসীমার প্রায় ৩২ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে জল বইছে। নদীতে জলস্তর ফুলেফেঁপে থাকায় পটাশপুরের বিভিন্ন এলাকায় জমে থাকা বৃষ্টির জলও ঠিকমতো নামতে পারছে না। এর জেরে বহু জায়গায় রাস্তাঘাট ও কৃষিজমি জলমগ্ন হয়ে পড়েছে। পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে যোগাযোগ ব্যবস্থায়। আমড়াখালি, চারুবাবুর খেয়া-সহ বেশ কয়েকটি জায়গায় পটাশপুর ও ভগবানপুরের সঙ্গে সবংয়ের যোগাযোগকারী বাঁশের সাঁকো জলের চাপে ভেসে গিয়েছে। ফলে স্থানীয় বাসিন্দাদের দুর্ভোগ বেড়েছে। 

এদিকে পরিস্থিতি সরেজমিনে খতিয়ে দেখতে আজ, রবিবার পটাশপুরে যাওয়ার কথা রয়েছে সেচমন্ত্রী অরূপ দাস এবং সেচ দপ্তরের সচিব সঞ্জয় কুণ্ডুর। কেলেঘাই নদীবাঁধের বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করবেন। নদীবাঁধের পরিস্থিতি এবং জলস্তর বৃদ্ধির মোকাবিলায় সেচ দপ্তরের প্রস্তুতিও তাঁরা খতিয়ে দেখবেন তাঁরা। ইতিমধ্যেই নদী পরিদর্শনে সেচ দপ্তরের কাঁথির এগজিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার কৌশিক মণ্ডল পৌঁছেছেন। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ