নয়াদিল্লি: ১৯৮৩ সালে ভারতীয় নাগরিকত্ব পেয়েছিলেন সোনিয়া গান্ধী। কিন্তু তার তিন বছর আগেই ১৯৮০ সালের ভোটার তালিকায় তাঁর নাম অন্তর্ভুক্ত হয়ে গিয়েছিল! এই অভিযোগকে কেন্দ্র করে কংগ্রেস নেত্রীর বিরুদ্ধে এফআইআর দায়েরের আরজি এর আগে খারিজ করে দিয়েছিল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত। যদিও সোমবার দিল্লির একটি আদালত এই ইস্যুতে ম্যাজেস্ট্রেটের পূর্বের সেই নির্দেশ খারিজ করে দিল। ফলে, আবেদন নিয়ে ফের হবে শুনানি।
এদিন দিল্লির দ্বারকা আদালতের বিশেষ বিচারক বিশাল গোগনে বলেছেন, ম্যাজিস্ট্রেট সম্পূর্ণভাবে ‘নন-স্পিকিং’ নির্দেশ জারি করেছিলেন। অর্থাৎ, এফআইআর দায়েরের আর্জি কেন তিনি খারিজ করলেন, নির্দেশে তার উপযুক্ত কারণগুলি উল্লেখই করা হয়নি। বিষয়টি ফের অতিরিক্ত মুখ্য বিচারবিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেটের (এসিজেএম) আদালতে ফেরত পাঠিয়ে দিয়েছেন বিশেষ বিচারক। তিনি বলেছেন, তদন্তকারী পুলিশ অফিসার ও সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের বক্তব্য শুনে, তদন্তের ভিত্তিতে এই ইস্যুতে ‘স্পিকিং অর্ডার’ বা উপযুক্ত কারণ সহ নির্দেশ জারি করতে হবে। বিশেষ বিচারক বিশাল গোগনে বলেছেন, আইনের অধীনে দু’টি বিকল্প রাস্তা খোলা ছিল ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে। এফআইআরের নির্দেশ দেওয়া অথবা বিএনএসএস-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় বিচার প্রক্রিয়া চালানো। কিন্তু তিনি কোনোটিই করেননি। বিশেষ বিচারকের এদিনের নির্দেশের ফলে আগামী ২৯ সেপ্টেম্বর এসিজেএমের এজলাসে শুনানির আবেদন তালিকাভুক্ত হয়েছে।