Bartaman Logo
১ অক্টোবর, ২০২৬

উত্তরাখণ্ডের প্রথম গ্লফ সতর্কতা বসছে বসুন্ধরা তালে

নেপালের বিপর্যয় সতর্কবার্তা পাঠিয়েছে। তা থেকে শিক্ষা নিয়েই উত্তরাখণ্ডে হিমবাহ হ্রদগুলিতে হঠাৎ জলস্তর বৃদ্ধির (জিএলওএফ) উপর ‘রিয়েল টাইম’ নজরদারি শুরু করল প্রশাসন।

উত্তরাখণ্ডের প্রথম গ্লফ সতর্কতা বসছে বসুন্ধরা তালে
  • ১ অক্টোবর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

দেরাদুন: নেপালের বিপর্যয় সতর্কবার্তা পাঠিয়েছে। তা থেকে শিক্ষা নিয়েই উত্তরাখণ্ডে হিমবাহ হ্রদগুলিতে হঠাৎ জলস্তর বৃদ্ধির (জিএলওএফ) উপর ‘রিয়েল টাইম’ নজরদারি শুরু করল প্রশাসন। হ্রদগুলির জলস্তর বৃদ্ধি হলে আগাম সতর্কবার্তা পাঠানোর ব্যবস্থা চালু করা হচ্ছে। চামোলি জেলায় বসুন্ধরা তালে প্রথম এই সিস্টেম বসানোর বন্দোবস্ত করল উত্তরাখণ্ড সরকার। জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা কর্তৃপক্ষ (এনডিএমএ) এবং বেশ কয়েকটি প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান রাজ্যের ১৩টি হিমবাহ হ্রদকে উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ বলে চিহ্নিত করেছে। এর মধ্যে অন্যতম এই বসুন্ধরা তাল। হিমালয় অঞ্চলের অতি ঝুঁকিপূর্ণ এই হ্রদটির উপর রিয়েল-টাইম বা তাৎক্ষণিক নজরদারি চালানো হবে।

Advertisement

এপ্রসঙ্গে উত্তরাখণ্ডের মুখ্য সচিব আনন্দ বর্ধন বলেন, গ্লফ নিয়ে ঝুঁকি বুঝতে এবং তা প্রতিরোধ করতে এটি একটি মাইলস্টোন হিসাবে কাজ করবে। এই প্রকল্পে বিভিন্ন আধুনিক সেন্সর ব্যবহার করা হচ্ছে। তার মধ্যে অন্যতম জলস্তর মাপার সেন্সর, মাটির কম্পন ও নড়াচড়া শনাক্ত করার জন্য টিল্ট এবং অ্যাক্সেলেরোমিটার সেন্সর এবং তুষারের তাপমাত্রা মাপার জন্য সাব-সারফেস সেন্সর। সঙ্গে রয়েছে স্যাটেলাইট যোগাযোগ ব্যবস্থা। এই প্রত্যন্ত পার্বত্য অঞ্চলে সাধারণ মোবাইল নেটওয়ার্ক নেই। তাই হ্রদের সমস্ত তথ্য স্যাটেলাইট যোগাযোগের মাধ্যমে সরাসরি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা দপ্তরে চলে আসবে। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামি এক বার্তায় প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের অভিনন্দন জানিয়েছেন। তিনি বলেন, হিমালয়ের দুর্গম এলাকায় প্রাকৃতিক বিপর্যয় থেকে ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে অত্যাধুনিক নজরদারি ব্যবস্থা গড়ে তোলা হচ্ছে। বৈজ্ঞানিক প্রতিষ্ঠান, বিশেষজ্ঞ এবং বিপর্যয় মোকাবিলা দপ্তরের মধ্যে সমন্বয় আরও বাড়ানো হবে। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ