Bartaman Logo
১৪ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

কৃষি কর্মাধক্ষ্য আইনুল হকের অস্বাভাবিক মৃত্যু

ফাঁসিদেওয়ায় কৃষি কর্মাধক্ষ্য আইনুল হকের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার। মানসিক অবসাদে এমন চরম সিদ্ধান্ত নিতে পারেন বলে অনুমান। বিস্তারিত পড়ুন।

কৃষি কর্মাধক্ষ্য আইনুল হকের অস্বাভাবিক মৃত্যু
  • ১৪ জুন, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, নকশালবাড়ি: শনিবার বাড়ি থেকে তৃণমূল নেতা মহম্মদ আইনুল হকের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়ায় ফাঁসিদেওয়ায়। তিনি শিলিগুড়ি মহকুমা পরিষদের কৃষি কর্মাধ্যক্ষ পদে ছিলেন। এদিন সকালে বাড়ির ছাদে তাঁকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান পরিবারের সদস্যরা। পরে তাঁকে উদ্ধার করে ফাঁসিদেওয়া গ্রামীণ হাসপাতালে আনা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন। ফাঁসিদেওয়া থানার পুলিশ দেহ ময়নাতদন্তের জন্য উত্তরবঙ্গ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়। 

Advertisement

বিকেলে ফাঁসিদেওয়া হাইস্কুলের মাঠে শোকসভার আয়োজন করা হয়। এলাকার কয়েক হাজার মানুষ আইনুলের শেষকৃত্যে যোগ দেন। এসেছিলেন শিলিগুড়ি মেয়র গৌতম দেব, মহকুমা পরিষদের সভাধিপতি অরুণ ঘোষ সহ জেলা তৃণমূলের নেতারা। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল সত্তর ছুঁইছুঁই। আইনুলের পরিবারে ছেলে ও স্ত্রী রয়েছেন। 
তিনি একসময় কংগ্রেস করতেন। তৃণমূলে যোগ দিয়ে ফাঁসিদেওয়ার বাঁশগাঁও- কিশমত গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান, ফাঁসিদেওয়া পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি, মহকুমা পরিষদের সহকারী সভাধিপতি পদে ছিলেন। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, সম্প্রতি তাঁর স্ট্রোক হয়েছিল। পাশাপাশি শারীরিক একাধিক সমস্যায় ভুগছিলেন। এতেই পুলিশ ও পরিবারের সদস্যদের অনুমান, মানসিক অবসাদ থেকেই এমন চরম সিদ্ধান্ত তিনি নিয়ে থাকতে পারেন। 
উল্লেখ্য, ২০২২ সালে পঞ্চায়েত নির্বাচনে ফাঁসিদেওয়ার জ্যোতিনগরে অপু চৌধুরী নামে এক বিজেপি নেতাকে খুনের অভিযোগ উঠেছিল আইনুল হকের বিরুদ্ধে। যদিও বিষয়টি বিচারাধীন রয়েছে। মহকুমা পরিষদের সভাধিপতি অরুণ ঘোষ বলেন, উনি চারদিন আগে পরিষদের বৈঠকেও যোগ দিয়েছিলেন। তাঁকে দেখে স্বাভাবিক লেগেছিল। হঠাৎ কেন এমন সিদ্ধান্ত নিলেন, বুঝতে পারছি না।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ