চেন্নাই: কেন্দ্রীয় তথ্য ও সম্প্রচার এবং সংসদ বিষয়ক রাষ্ট্রমন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দিলেন এল মুরুগন। একই সঙ্গে রাজ্যসভার সদস্যপদ ছাড়ার কথাও জানিয়েছেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে চিঠি লিখে নিজের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়ার আবেদন জানিয়েছেন মুরুগন। ২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের আগে তামিলনাড়ুতে বিজেপির সংগঠন আরও মজবুত করতে পূর্ণ সময় দেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন তিনি।
এক্স হ্যান্ডলে তিনি লেখেন, এবার দলের কর্মীদের পাশে ফিরতে চাই। ২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের আগে তামিলনাড়ুতে বিজেপিকে শক্তিশালী করার কাজে নিজেকে সম্পূর্ণ ভাবে নিয়োজিত করতে চাই। আগে দেশ, তারপর দল, সব শেষে নিজে। তাঁর এই সিদ্ধান্তের পর কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় রদবদলের জল্পনা আরও বেড়েছে। এর আগে জুন ও জুলাই মাসে যথাক্রমে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জর্জ কুরিয়েন এবং রবনীত সিং বিট্টুও মন্ত্রিসভা থেকে ইস্তফা দিয়েছিলেন। ফলে মুরুগনের পদত্যাগের সিদ্ধান্ত ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
উল্লেখ্য, তামিলনাড়ু বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি মুরুগন মধ্যপ্রদেশ থেকে রাজ্যসভায় নির্বাচিত হয়েছিলেন। তাঁর সাংসদ পদের মেয়াদ ২০৩০ সাল পর্যন্ত থাকার কথা ছিল। মঙ্গলবার তিনি সেই পদ থেকেও অব্যাহতি চেয়েছেন। ২০২০ সালে তাঁকে তামিলনাড়ু বিজেপির সভাপতি করা হয়। ২০২১ সালের জুলাইয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার রদবদলের সময় তিনি মন্ত্রী হন। পরে কে আন্নামালাই তামিলনাড়ু বিজেপির সভাপতির দায়িত্ব নেন। ছাত্র রাজনীতিতেও অভিজ্ঞতা রয়েছে মুরুগনের। তিনি অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের (এবিভিপি) সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। প্রধানমন্ত্রীকে লেখা চিঠিতে নিজের পারিবারিক পটভূমির কথাও তুলে ধরেছেন মুরুগন। তাঁর বক্তব্য, যে কাজের মধ্য দিয়ে তিনি প্রথম জনজীবনে প্রবেশ করেছিলেন, এ বার সেই কাজেই আরও বেশি সময় দিতে চান তিনি।



