নয়াদিল্লি: ‘প্রতিটি সিদ্ধান্ত সর্বসম্মতিক্রমে নেওয়া হয়েছে। যে কোনো প্রতিষ্ঠানে আলোচনার ক্ষেত্রে ভিন্ন ভিন্ন মত পোষণ ও পর্যবেক্ষণ থাকাটা স্বাভাবিক বিষয়।’ দেশজুড়ে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়ে শেষমেশ সাফাই দিল নির্বাচন কমিশন।
নয়াদিল্লি: ‘প্রতিটি সিদ্ধান্ত সর্বসম্মতিক্রমে নেওয়া হয়েছে। যে কোনো প্রতিষ্ঠানে আলোচনার ক্ষেত্রে ভিন্ন ভিন্ন মত পোষণ ও পর্যবেক্ষণ থাকাটা স্বাভাবিক বিষয়।’ দেশজুড়ে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়ে শেষমেশ সাফাই দিল নির্বাচন কমিশন।
দুই নির্বাচন কমিশনার সুখবীর সিং সান্ধু ও বিবেক যোশিকে অন্ধকারে রেখে একতরফা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। বুধবার ‘দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস’-র প্রতিবেদন ঘিরে দেশজুড়ে তোলপাড় শুরু হয়েছে। জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফা ও গ্রেপ্তারির দাবিতে সরব বিরোধীরা। সম্প্রতি সম্পন্ন হওয়া ভোট বাতিল করে পুনর্নির্বাচনের দাবিও জানানো হয়েছে। তুমুল বিতর্কের আবহে এবার ড্যামেজ কন্ট্রোলে নামল নির্বাচন কমিশন।
এদিন আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, একাধিক বিষয়ে নির্বাচন কমিশনারদের মধ্যে বিরোধ থাকলেও ঐকমত্যের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আলোচনার সময় ভিন্ন মত থাকা স্বাভাবিক বিষয়। শুধুমাত্র তিনজন কমিশনার নয়, নির্বাচনি ব্যবস্থাকে আরও মজবুত করতে কমিশনের প্রত্যেক আধিকারিকই পরামর্শ দিতে পারেন। তাঁদের মতামত জানানোর এক্তিয়ারও রয়েছে। কমিশনের দাবি, গত ১০ মাসের কয়েকটি অভ্যন্তরীণ নোট ও পর্যবেক্ষণ আলাদা করে তুলে ধরে পুরো বিষয়টি ব্যাখ্যা করা সম্ভব নয়। এটি গোটা চিত্রের শুধুমাত্র একটি অংশ। সম্প্রতি কমিশন একাধিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বহু নির্দেশিকা জারির পাশাপাশি প্রায় ৪০টি নতুন উদ্যোগ নিয়েছে। এর মধ্যে এসআইআর-ও রয়েছে। গত এক বছরে সবটাই সর্বসম্মতিক্রমে চূড়ান্ত করা হয়েছে।
কমিশনের জবাব সামনে আসতেই ফের সুর চড়িয়েছে বিরোধীরা। কংগ্রেস সাংসদ মণীশ তিওয়ারির কটাক্ষ, একের পর এক অপ্রয়োজনীয় যুক্তির পাহাড় সাজালেও ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদনটি খণ্ডন করার কোনো চেষ্টা করা হয়নি। যদি এটি সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ার স্বাভাবিক অংশ হয়, তাহলে অন্য দুই নির্বাচন কমিশনার কেন মন্ত্রিসভার সচিবের দ্বারস্থ হয়েছিলেন?