সংবাদদাতা, বারুইপুর: কুলতলি ব্লকের মৈপীঠের গুড়গুড়িয়া ভুবনেশ্বরী পঞ্চায়েতে তৃণমূলের প্রধান ছিলেন জয়দেব প্রধান। পঞ্চায়েতের ২৬ জন সদস্য প্রধানের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব এনেছিলেন। তাঁদের মধ্যে বিজেপি ও তৃণমূলের সদস্যরাও ছিলেন। এর জেরেই বুধবার নতুন করে পঞ্চায়েত প্রধান নির্বাচন করতে হয়। এই ভোটাভুটিতে বিজেপির গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের ঘটনা প্রকাশ্যে আসে। প্রধান পদে বিজেপিরই দুই সদস্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। তাঁরা দু’জনেই ১৩টি করে ভোট পান। শেষে লটারির মাধ্যমে প্রধান নির্বাচিত হন নিখিল দাস। এদিকে, বিজেপির পঞ্চায়েত সদস্য তুহিনশুভ্র হালদার বলেন, আমি প্রধান পদে বিজেপি প্রার্থী মানস বৈরাগীকে ভোট দিয়েছিলাম। কিন্তু তা বাতিল করা হয়। অন্যায়ভাবে নিখিল দাসকে প্রধান পদে বসানো হয়েছে। এতে কুলতলির এক দলীয় নেত্রীর মদত রয়েছে। এই ভোট বাতিল করতে হবে। এই পঞ্চায়েতে মোট আসন ২৭টি। তার মধ্যে তৃণমূলের ১৮ জন ও বিজেপির ৯ জন সদস্য ছিলেন। জয়দেব প্রধান ছাড়া বাকি ২৬ জন সদস্যই তাঁর বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব এনেছিলেন। এদিন প্রধান নির্বাচনকে ঘিরে পঞ্চায়েতে উত্তেজনা ছিল। বিজেপির দুই সদস্য নিখিল দাস ও মানস বৈরাগী প্রধান পদে লড়েন। বিদায়ী প্রধানও এদিন ভোটাভুটিতে অংশগ্রহণ করেন।



