Bartaman Logo
৮ অক্টোবর, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

বিচারকের নির্দেশে ফের গণনায় আরও তিন ভোট তৃণমূল প্রার্থীর

২০২৩ সালে হয়েছিল পঞ্চায়েত নির্বাচন। রানাঘাট-১ ব্লকের রঘুনাথপুর হিজুলি-১ গ্রাম পঞ্চায়েতের ১১৭ নম্বর বুথে ভোট গণনা নিয়ে দেখা দিয়েছিল বিতর্ক।

বিচারকের নির্দেশে ফের গণনায় আরও তিন ভোট তৃণমূল প্রার্থীর
  • ৮ অক্টোবর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, রানাঘাট: ২০২৩ সালে হয়েছিল পঞ্চায়েত নির্বাচন। রানাঘাট-১ ব্লকের রঘুনাথপুর হিজুলি-১ গ্রাম পঞ্চায়েতের ১১৭ নম্বর বুথে ভোট গণনা নিয়ে দেখা দিয়েছিল বিতর্ক। কারণ মাত্র এক ভোটে জিতেছিলেন তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী মলয়কুমার দাস। যা নিয়ে আদালত পর্যন্ত মামলা গড়ায়। গণনায় কারচুপির অভিযোগ তুলে এবং পুনরায় গণনার দাবি জানিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী নির্দল প্রার্থী শ্যাম কর্মকার। বুধবার রানাঘাট আদালতের বিচারকের নজরদারিতে কড়া নিরাপত্তায় ফের ভোট গণনা হল। তাতে আরও তিনটি ভোট মলয়বাবুর ঝুলিতে যোগ হয়েছে। মোট ২২১টি ভোট পেয়ে তৃণমূল প্রার্থী জয়ী হলেন।

Advertisement

রানাঘাট দক্ষিণ বিধানসভা এলাকার ১৭৭ নম্বর বুথে মোট ৭৪০ জন ভোটারের মধ্যে ৬৪২ জন ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছিলেন। নির্বাচন কমিশন ঘোষিত প্রাথমিক ফলাফলে দেখা যায়, তৃণমূল প্রার্থী মলয়বাবু ২১৮টি ভোট পেয়েছেন। অপরদিকে ‘আম’ প্রতীক নিয়ে লড়া নির্দল প্রার্থী শ্যামবাবু পান ২১৭টি ভোট। মাত্র এক ভোটে জয়ী হন তৃণমূল প্রার্থী। এই নির্বাচনে বিজেপির গোপাল সিং রায় ১২৩টি এবং সিপিএম প্রার্থী সুখেন্দু শেখর দাস ৬৮টি ভোট পেয়েছিলেন। ফলাফল ঘোষণা হওয়ার পরই বিতর্ক শুরু হয়। নির্দল প্রার্থী শ্যামবাবু অভিযোগ করেন, নির্বাচনের দিন এবং গণনার সময় ব্যাপক অনিয়ম হয়েছে। একসময় সক্রিয় তৃণমূল কর্মী এবং পঞ্চায়েতের প্রাক্তন প্রধান জিনি কর্মকারের স্বামী শ্যামবাবুর দাবি, ভোটের দিন তৃণমূলের লোকজন তাঁকে এবং তাঁর পরিবারকে গৃহবন্দি করে রেখেছিল। ফলে তাঁরা নিজেরাও ভোট দিতে পারেননি। গণনার পর এক ভোটের ব্যবধান দেখে তিনি বিডিও-র কাছে লিখিতভাবে ফের গণনার আবেদন জানান। কিন্তু, কোনো সদুত্তর না মেলায় অবশেষে তিনি আদালতের দ্বারস্থ হন। দীর্ঘ শুনানি ও যুক্তি তর্কের পর আদালত কক্ষে ফের ভোট গণনার নির্দেশ দেন বিচারক। এদিন গণনায় নির্দল প্রার্থীর ভোট অপরিবর্তিত থাকে। তবে আরও তিনটি ভোট তৃণমূল প্রার্থীর পকেটে যোগ হয়েছে।
তৃণমূল প্রার্থী মলয়বাবু বলেন, এদিন আদালতে ভোট গণনার আগেই আমি বলেছিলাম আমার ভোট আরও বাড়তে পারে। আদালতের উপর আমার পূর্ণ আস্থা ছিল। এবিষয়ে নির্দল প্রার্থী শ্যামবাবু বলেন, আমার ভোট না বাড়লেও সেদিনের গণনা যে সঠিক ছিল না, তা প্রমাণিত হল।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ