নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: এসআইআর ট্রাইবুনালে বিচারাধীন সব আবেদনের নিষ্পত্তি কবে শেষ হবে? এই প্রশ্নের উত্তর আজও মেলেনি। শুনানি শেষ না হওয়ায় মঙ্গলবার নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর উপনির্বাচনেও ভোট দিতে পারেননি কয়েক হাজার ভোটার। আর সেই দিনেই সামনে চলে এল ট্রাইবুনালের জন্য নির্বাচন কমিশনের তৈরি ডিজিটাল পোর্টালের বড়োসড়ো গলদ। সেটির কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিয়েছেন স্বয়ং ট্রাইবুনালের বিচারপতিরা। সাফ জানিয়েছেন, পোর্টালে কাজ করাই যাচ্ছে না। ১২ জনেরও বেশি বিচারপতির অভিযোগ, পোর্টালে নোটিস পাঠানো বা ট্রাইবুনালের নির্দেশ ডাউনলোড করার মতো সাধারণ সুবিধাও রাখা হয়নি। নেই ভার্চুয়াল বা অনলাইন শুনানির ব্যবস্থা। এমনকি, ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়া কারও নাম অন্তর্ভুক্ত করতে চাইলেও তা পোর্টালের মাধ্যমে করা সম্ভব নয়। ফলে আবেদন নিষ্পত্তির প্রক্রিয়া চলছে ধীরগতিতে। এই সব সমস্যা নিয়ে গত ১১ আগস্ট বৈঠকে বসেছিলেন ১২ জনেরও বেশি বিচারপতি। তাঁরা এবিষয়ে ক্ষোভের কথা জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশন এবং কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতিকে। বিচারপতিদের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে কমিশন কোনো পদক্ষেপ করেছে কি না, তা অবশ্য এখনও স্পষ্ট নয়। মঙ্গলবার সর্বভারতীয় দৈনিক ‘ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস’-এ এই খবর ফাঁস হতেই হইচই শুরু হয়েছে। সরব হয়েছে বিরোধী নেতৃত্ব। কংগ্রেস মুখপাত্র জয়রাম রমেশ ‘এক্স’ হ্যান্ডলে লিখেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মিলে যে কোনো উপায়ে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে জিততে চেয়েছিলেন। সেটা এবার স্পষ্ট হয়ে গেল। এটি ব্যাপক কারচুপি ও জালিয়াতির আদর্শ উদাহরণ, স্বয়ং মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের তত্ত্বাবধানে তা সম্পন্ন করা হয়েছে।’



