বারাসতে বাগবাজার ঘরানার সাবেকি প্রতিমা, দত্তপুকুরে মহিষাদল রাজবাড়ি
  • ১৬ অক্টোবর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: থিমের ভিড়ে সাবেকিয়ানার টান। কোথাও আবার ইতিহাসের হাত ধরে রাজকীয় মণ্ডপসজ্জা। শারদোৎসবে বারাসত ও দত্তপুকুরে পুজো-মানচিত্রে এবার দুই ভিন্ন ভাবনায় নজর কাড়তে তৈরি নবপল্লি সোমতীর্থ ঐক্যধাম দুর্গাপুজো কমিটি এবং সন্তোষপুর মহিলা দুর্গোৎসব কমিটি। একদিকে বাগবাজার ঘরানার সাবেকি প্রতিমা। অন্যদিকে মহিষাদল রাজবাড়ির আদলে মণ্ডপ। পুজোর আয়োজনের পাশাপাশি সামাজিক দায়বদ্ধতার বার্তাও দিতে চাইছেন উদ্যোক্তারা।

Advertisement

বারাসতের নবপল্লি সোমতীর্থ ঐক্যধাম দুর্গাপুজো কমিটি এবার ৩১ বছরে পা দিল। থিমের চমককে সরিয়ে রেখে তাদের মূল আকর্ষণ ঐতিহ্যবাহী বাগবাজার ঘরানার মাতৃপ্রতিমা। বিশাল অর্ধচন্দ্রাকার চালচিত্রের মাঝে ডাকের সাজে সপরিবারে বিরাজ করবেন মহিষাসুরমর্দিনী। পুজো কমিটির সম্পাদক শুভজিৎ বিশ্বাস বলেন, সাবেকি প্রতিমার শান্ত-সৌম্য মুখশ্রী, টানা চোখ এবং ঘন কালো কেশদামে ফুটে উঠবে চিরাচরিত বাংলার পুজোর আবহ। প্রতিমার পাশাপাশি মণ্ডপ ও সংলগ্ন এলাকা সাজিয়ে তোলা হচ্ছে বাহারি আলোয়। রাস্তার উপর শিল্পীদের তুলির টানে ফুটে উঠেছে সুবিশাল আলপনা।
দত্তপুকুর থানার অন্তর্গত সন্তোষপুর মহিলা দুর্গোৎসব কমিটির পুজো এবার চতুর্থ বর্ষে পা দিচ্ছে। এ বছরের বিশেষ আকর্ষণ মহিষাদল রাজবাড়ির আদলে মণ্ডপ। মহাপঞ্চমীতে পুজোর উদ্বোধন হয়। তবে শুধু মণ্ডপসজ্জা বা উৎসবের আয়োজনেই সীমাবদ্ধ থাকতে চাইছেন না কমিটির সদস্যারা। এলাকার মানুষের সুবিধার কথা মাথায় রেখেই চালু করা হচ্ছে অ্যাম্বুলেন্স পরিষেবা। পুজো কমিটির সদস্য চৈতালি ঘোষ ও অপর্ণা ধাড়া বলেন, প্রতিদিন গ্রামবাসীদের জন্য থাকছে ভোগ বিতরণের ব্যবস্থা। সন্ধ্যায় হবে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। কমিটির সদস্যাদের পাশাপাশি গ্রামবাসী এবং আদিবাসী সম্প্রদায়ের মানুষের সক্রিয় অংশগ্রহণে এই পুজো সম্প্রীতি, ঐক্য ও সামাজিক দায়বদ্ধতার বার্তা দেবে।