সোমনাথ চক্রবর্তী, ময়নাগুড়ি: পুরাতন বাজারে জেলা পরিষদের স্টল পুনরায় বণ্টনের দাবি তুলল ময়নাগুড়ি ব্যবসায়ী সমিতি। ময়নাগুড়ি পুরাতন বাজারে জলপাইগুড়ি জেলা পরিষদ স্টল বানিয়েছে। কিন্তু সেই স্টলগুলি বণ্টন নিয়ম বহির্ভূতভাবে করা হয়েছে বলে অভিযোগ তুলে বৃহস্পতিবার ব্যবসায়ীরা দেখা করেন বিধায়ক ডালিম রায়ের সঙ্গে। ব্যবসায়ীরা তাঁকে লিখিতভাবে অনিয়মের বিষয়টি জানিয়েছেন। পরবর্তীতে জেলা পরিষদেরকেও এই বিষয়ে লিখিতভাবে জানান তাঁরা। ব্যবসায়ীদের দাবি, সুষ্ঠুভাবে লটারির মাধ্যমে পুনরায় স্টলগুলি বিলি-বণ্টন করতে হবে। যদিও ব্যবসায়ীদের তোলা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন পরিষদের সভাধিপতি কৃষ্ণা রায় বর্মন। তিনি বলেন, সম্পূর্ণ নিয়মমাফিকই স্টল বণ্টন করা হয়েছে।
ময়নাগুড়ি বাজারে কয়েক বছর আগে জেলা পরিষদ একটি মার্কেট নির্মাণ করে। অভিযোগ বিল্ডিংয়ের ১৩টি স্টল ব্যবসায়ীদের অন্ধকারে রেখে ভোটের আগে বণ্টন হয়ে যায়। শুধু তাই নয়, নিয়ম বহির্ভূতভাবে এক ব্যক্তি একাধিক স্টল পেয়েছেন বলেও ব্যবসায়ী সংগঠনের দাবি। তাই সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াটি স্বচ্ছভাবে করার দাবি তুলেছেন তাঁরা। লটারির মাধ্যমে স্টল বণ্টন করা হোক, চাইছেন ব্যবসায়ীরা। এক ব্যক্তি একটিই লটারি পাবে। লটারির আগে স্টলের দাম নির্ধারণ করতে হবে।
ময়নাগুড়ির বিজেপি বিধায়ক ডালিম রায় বলেন, ব্যবসায়ীরা আমাকে চিঠি দিয়ে জানিয়েছেন। বিষয়টি দেখা হচ্ছে। ময়নাগুড়ি ব্যবসায়ী সমিতির সম্পাদক সুমিত সাহার দাবি, জলপাইগুড়ি জেলা পরিষদ যে নিয়মে স্টল বণ্টন করেছে তার বিরুদ্ধেই আমাদের আন্দোলন। বৃহস্পতিবার আমরা ব্যবসায়ীরা বিধায়কের কাছে যাই। ১৩টি স্টল বেআইনিভাবে বণ্টন করা হয়েছে। আমরা খবর পেয়েছি অনলাইনে ই-টেন্ডার হয়েছিল। কিন্তু অধিকাংশ ব্যবসায়ী সেটা জানতেনই না। আমাদের দাবি, লটারির মাধ্যমে স্বচ্ছভাবে স্টল বণ্টন করতে হবে।
স্বর্ণ ব্যবসায়ী সমিতির সম্পাদক বাপ্পা কর্মকার বলেন, আমাদের পুরোপুরি অন্ধকারে রেখে স্টলগুলি বণ্টন করেছে পরিষদ। স্টলগুলি এখনও তালাবন্ধ। কারা দোকান পেল এখনও পর্যন্ত সেটা জানতে পারলাম না। তবে স্টল বণ্টন হয়ে গিয়েছে, এটা আমাদের জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।
• নিজস্ব চিত্র।