Bartaman Logo
৮ অক্টোবর, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

পুজোর মরশুমে নবাবী মুলুকে ভিড় বাড়বে, আশাবাদী পর্যটন ব্যবসায়ীরা

ঘুরতে কে না ভালোবাসে? আর বাঙালির পায়ের তলায় তো সর্ষে! পুজোর মরশুমে ঘুরতে যাওয়ার বাড়তি উন্মাদনা দেখা যায়।

পুজোর মরশুমে নবাবী মুলুকে ভিড় বাড়বে, আশাবাদী পর্যটন ব্যবসায়ীরা
  • ৮ অক্টোবর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

অভিষেক পাল, বহরমপুর: ঘুরতে কে না ভালোবাসে? আর বাঙালির পায়ের তলায় তো সর্ষে! পুজোর মরশুমে ঘুরতে যাওয়ার বাড়তি উন্মাদনা দেখা যায়। অতিবৃষ্টি ও ধসের কারণে বাঙালির পুজোর ডেস্টিনেশন লিস্টে থাকা প্রিয় সিকিম ও উত্তরবঙ্গের বেশ কিছু পাহাড় অনেকের কাছে অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। তাই শেষ মুহূর্তে পরিকল্পনা বদল করছে অনেকেই। আর সেখানেই জায়গা করে নিচ্ছে নবাবী মুলুক। ইতিহাস চাক্ষুষ করতে নবাবী মুলুকে ভিড় বাড়বে দেশ-বিদেশের পর্যটকদের। এমনটাই আশা পর্যটন ব্যবসায়ীদের। হোটেল বুকিং শুরু হয়েছে। বুকিং বাড়তেই প্রস্তুতি নিচ্ছেন পর্যটন ব্যবসায়ীরা।

Advertisement

প্রতিবছরই পুজোর সময় মুর্শিদাবাদে ভিড় জমান ভিন রাজ্যের বহু পর্যটক। তবে এবার বাঙালি পর্যটকরাও মুর্শিদাবাদের ইতিহাসের সন্ধানে পুজোর সময় হোটেল বুকিং শুরু করেছেন। পাহাড়ের টান চিরকাল অমোঘ হলেও সাগর পিছিয়ে নেই মোটেই। কিন্তু, হাতেগোনা কয়েকদিন বাকি পুজোর। সমুদ্র উপকূলের বিভিন্ন হোটেলে বুকিং প্রায় শেষ। তাই অনেকেই ডেস্টিনেশন বদল করে মুর্শিদাবাদ ভ্রমণের পরিকল্পনা করছেন। ভাগীরথীর তীরে নবাবী শহরের পুজোর উন্মাদনা উপভোগ করতে বহু মানুষ ভিড় জমাবেন, আশায় আছেন পর্যটন ব্যবসায়ীরা।
মুর্শিদাবাদ ডিস্ট্রিক্ট চেম্বার অব কমার্সের সহ সম্পাদক স্বপন ভট্টাচার্য বলেন, প্রতিবছরই পুজোর সময় মুর্শিদাবাদে বহু পর্যটক আসেন। তবে এ বছর গত সপ্তাহ থেকেই ভালো হোটেল বুকিং শুরু হয়েছে। দেশ বিদেশের পর্যটকদের পাশাপাশি বাঙালি পর্যটকরাও হোটেল বুকিং করছেন। ভালো হোটেলের অধিকাংশ ঘর বুকিং হয়ে গিয়েছে। পুজোর সময় এবার ভালো পর্যটক আসবে বলে আশা করছি। হোটেল ও পর্যটন ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত থাকা সমস্ত ব্যবসায়ীরা পর্যটকদের আপ্যায়নের অপেক্ষায় রয়েছেন।
মুর্শিদাবাদের ইমামবাড়ার পাশের হোটেল ব্যবসায়ী অভিনন্দন সাহা বলেন, বেশ কয়েক সপ্তাহ ধরে হোটেল বুকিং শুরু হয়েছে। অধিকাংশ ঘরই বুক হয়ে গিয়েছে। পুজোর আগে যে কয়েকটি দিন বাকি আছে, আশা করি হাউস ফুল হবে। আমাদের মুর্শিদাবাদের পুজোর ঐতিহ্য কম নয়। অনেক বড় বড় পুজো হয়। তাই পর্যটকরা এখানে এলে ইতিহাস দর্শনের পাশাপাশি পুজোর আনন্দেও গা ভাসাতে পারবেন। অপর এক হোটেল ব্যবসায়ী নিত্যানন্দ শীল বলেন, ইতিহাস আর ঐতিহ্যের মেলবন্ধন বরাবরই লালবাগ শহরকে ভ্রমণ পিপাসুদের কাছে অন্য জায়গা করে দেয়। দিনের বেলা ইতিহাসের মাটির গন্ধ নিয়ে রাতের বেলা লালবাগ এবং বহরমপুরের পুজো দেখে পর্যটকদের মন ভরে যাবে। তাই অনেকেই এখন পুজোর সময় পাহাড় ও সমুদ্র ছেড়ে মুর্শিদাবাদের পর্যটন কেন্দ্রগুলিতে ঘুরতে চান। পুজোর বুকিং ভালোই চলছে। হোটেলগুলিও সেজে উঠছে। আমরা পর্যটকদের অপেক্ষায় আছি। এবার মুর্শিদাবাদে বেশ কয়েকটি বড় বড় পুজো হচ্ছে। যা দর্শকদের মনোরঞ্জন করবে। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ