


ভোপাল: ত্বিশা শর্মার মৃত্যুরহস্য ক্রমেই জটিল হচ্ছে। পরিবারের দাবি মেনে দ্বিতীয়বার ময়নাতদন্তে সায় দিল মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্ট। অন্যদিকে হাইকোর্ট থেকে আগাম জামিনের আরজি তুলে আত্মসমর্পণ করলেন ত্বিশার ‘পলাতক’ স্বামী। গ্রেপ্তারির পর তাঁকে হেপাজতে নিয়েছে পুলিশ।
গত ১২ মে মৃত্যু হয় প্রাক্তন মিস পুনে ত্বিশা শর্মার। শ্বশুরবাড়ি থেকে তাঁর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়। ময়নাতদন্তের রিপোর্টেও মৃত্যুর কারণ হিসাবে লেখা ছিল ‘অ্যান্টি মর্টাম হ্যাঙ্গিং বাই লিগেচার’ অর্থাৎ মৃত্যুর আগে গলায় ফাঁস দেওয়া হয়েছে। এই রিপোর্ট সামনে রেখে পুলিশও নিশ্চিত করে, আত্মহত্যাই করেছেন ত্বিশা। কিন্তু তাঁর পরিবার মানতে চায়নি। স্থানীয় আদালতে দ্বিতীয়বার ময়নাতদন্তের আরজি জানালে তা খারিজ হয়। এরপর হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন তাঁরা। দেহ ফের ময়নাতদন্তের নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। ভোপালেই ময়নাতদন্ত হবে। তবে তা করবেন দিল্লি এইমসের চিকিৎসকরা। যত দ্রুত সম্ভব এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার কথা বলেছে উচ্চ আদালত। অন্যদিকে, ত্বিশার মৃত্যুর পর থেকেই পলাতক ছিলেন তাঁর স্বামী সমর্থ সিং। মাঝে স্থানীয় আদালতে আগ্রিম জামিনের আবেদন জানান তিনি। আরজি খারিজ হলে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন। কিন্তু হাইকোর্ট এ বিষয়ে কোনো নির্দেশ দেওয়ার আগেই আবেদন প্রত্যাহার করে আত্মসমর্পণের কথা ঘোষণা করেন তিনি। শুক্রবার জব্বলপুরের স্থানীয় আদালতে আত্মসমর্পণ করেন সমর্থ। আত্মসমর্পণের পর সমর্থকে গ্রেপ্তার করে হেপাজতে নেয় জব্বলপুর পুলিশ। এরই মধ্যে প্রাক্তন বিচারপতি গিরিবালা সিং তথা সমর্থের মা’কে নোটিস পাঠিয়েছে মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্ট। তবে ত্বিশার মৃত্যুতে সিবিআই তদন্ত চাইছে মধ্যপ্রদেশ সরকার।