Bartaman Logo
৬ অক্টোবর, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

নদীতে শৌচবর্জ্য ফেলার সময় হাতেনাতে আটক তিন, চাঞ্চল্য

গোপনে নদীর জলে শৌচাগারের বর্জ্য ফেলার সময় গাড়ির চালক সহ তিনজনকে হাতেনাতে ধরে ফেললেন এলাকার বাসিন্দারা।

নদীতে শৌচবর্জ্য ফেলার সময় হাতেনাতে আটক তিন, চাঞ্চল্য
  • ৬ অক্টোবর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, উলুবেড়িয়া: গোপনে নদীর জলে শৌচাগারের বর্জ্য ফেলার সময় গাড়ির চালক সহ তিনজনকে হাতেনাতে ধরে ফেললেন এলাকার বাসিন্দারা। এই ঘটনাকে ঘিরে সোমবার দুপুরে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছে উলুবেড়িয়া পুরসভার ২৩ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর জগদীশপুরে। খবর পেয়ে উলুবেড়িয়া থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তিনজনকে আটক করে নিয়ে যায়। কী কারণে শৌচগারের বর্জ্য নদীতে ফেলা হচ্ছিল, তা পুলিশ তদন্ত করে দেখছে।

Advertisement

জানা গিয়েছে, পুরসভার ২২ নম্বর ওয়ার্ডের একটি বাড়ির শৌচাগারের বর্জ্য পরিষ্কারের জন্য পুরসভা শ্যামপুর থানার ৫৮ গেট এলাকার একটি এজেন্সিকে দায়িত্ব দিয়েছিল। অভিযোগ, এদিন দুপুরে ওই এজেন্সির লোকজন শৌচাগার পরিষ্কার করার পর ওই বর্জ্য গাড়িতে করে নিয়ে এসে উত্তর জগদীশপুরে পাইপের মাধ্যমে গঙ্গায় ফেলছিল। বিষয়টি নজরে আসতেই ক্ষোভে ফেটে পড়ে স্থানীয় বাসিন্দারা। তাঁরা গাড়ির চালক সহ তিনজনকে হাতেনাতে ধরে ফেলে। পরে পুলিশ তাদের আটক করে থানায় নিয়ে যায়। এদিন দুপুরে এলাকায় গিয়ে দেখা গেল, বর্জ্য পরিষ্কারের গাড়ি থেকে একটি পাইপ নদীর জলে নামানো হয়েছিল। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, গাড়ি খারাপ হয়ে যাওয়ার নাম করে তারা নদীতেই বর্জ্য ফেলছিল। ধৃতদের কঠোর শাস্তি দাবি করেন তাঁরা। 
উলুবেড়িয়া পুরসভা সূত্রে খবর, পুরসভার দু’টি বর্জ্য পরিষ্কারের গাড়ি থাকলেও সেগুলি খারাপ থাকায় একটি বেসরকারি এজেন্সিকে এই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তারা কেন এই কাজ করেছে, তা খতিয়ে দেখা হবে। এজেন্সির মালিক কাশেম বলেন, শৌচাগারের বর্জ্য ফেলার জন্য আমাদের নির্দিষ্ট জায়গা আছে। সেখানেই ফেলা হয়। কিন্তু এদিন তারা কেন নদীতে বর্জ্য ফেলেছে, তা আমার জানা নেই। পরিবেশকর্মী শুভ্রদীপ ঘোষ বলেন, নদীকে মানুষ ডাস্টবিন হিসাবে ভাবছে। সচেতনতার অভাবই এ কারণে দায়ী। এই মানসিকতা যতদিন না বদলাবে, ততদিন নদী দূষণ আটকানো সম্ভব হবে না। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ