Bartaman Logo
২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

এবার সাগর ও নামখানার ২৩টি মৌজায় ভূমির চরিত্র নিয়ে সমীক্ষা

সাগর ও নামখানার ২৩টি মৌজার জমির বর্তমান ও ভবিষ্যৎ চরিত্র নিয়ে সমীক্ষা চালানো হবে। এই দু’টি অঞ্চল গঙ্গাসাগর বকখালি উন্নয়ন পর্ষদের (জিবিডিএ) অধীনে রয়েছে।

এবার সাগর ও নামখানার ২৩টি মৌজায় ভূমির চরিত্র নিয়ে সমীক্ষা
  • ২০ মার্চ, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: সাগর ও নামখানার ২৩টি মৌজার জমির বর্তমান ও ভবিষ্যৎ চরিত্র নিয়ে সমীক্ষা চালানো হবে। এই দু’টি অঞ্চল গঙ্গাসাগর বকখালি উন্নয়ন পর্ষদের (জিবিডিএ) অধীনে রয়েছে। ১৯৭৯ সালের ওয়েস্ট বেঙ্গল টাউন অ্যান্ড কান্ট্রি অ্যাক্ট অনুযায়ী, কোনও উন্নয়ন পর্ষদের অধীনে থাকা জমির সমীক্ষা রিপোর্ট তৈরি করা আবশ্যিক। জিবিডিএ গঠনের পর এই সমীক্ষা করা হয়নি। রাজ্যের অন্যান্য উন্নয়ন পর্ষদ অবশ্য ইতিমধ্যেই এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছে। এই প্রেক্ষাপটে, গঙ্গাসাগর বকখালি উন্নয়ন পর্ষদ কর্তৃপক্ষ জমি সমীক্ষার জন্য গ্লোবাল টেন্ডার ডেকেছে। সাগর ও নামখানার মোট ২৩টি মৌজায় ১৫২.৭৫ বর্গ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে সমীক্ষা চালানো হবে। এক আধিকারিক বলেন, এই সমীক্ষার মূল লক্ষ্য, বর্তমান ভূমির ব্যবহার এবং আগামী পাঁচ থেকে দশ বছর তার সম্ভাব্য পরিবর্তনের একটি চিত্র তুলে ধরা। একটি নির্দিষ্ট জলাভূমি ভবিষ্যতে কীভাবে রূপান্তরিত হতে পারে, তা এই সমীক্ষার মাধ্যমে চিহ্নিত করা হবে। অর্থাৎ, ওই সংস্থা উন্নয়ন পর্ষদের অধীনে থাকা জমির বর্তমান এবং ভবিষ্যৎ চরিত্র বিশ্লেষণ করে বিস্তারিত রিপোর্ট দেবে। পরে তা নবান্নে জমা পড়বে। সূত্রের খবর, কোন অঞ্চলে কী ধরনের জমি শিল্পের জন্য উপযুক্ত, তাও এই সমীক্ষায় স্পষ্ট হয়ে যাবে। প্রথমে দশটি এবং পরবর্তীকালে আরও ১৩টি মৌজায় সমীক্ষা চালানো হবে। সব মিলিয়ে এক বছর ধরে চার ধাপে সমীক্ষার কাজ হবে।

Advertisement
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ