


নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: দোল উপলক্ষ্যে বকখালিতে বাস্তবিক অর্থেই ‘ঠাঁই নেই’ অবস্থা। এবার উইক-এন্ড থাকায় বুকিং খুব ভালো হয়েছে বলেই দাবি হোটেল মালিকদের। আপাতত শুধু কিছু নন-এসি ঘর পড়ে আছে বলে জানাচ্ছেন তাঁরা। কলকাতা থেকে কয়েক ঘণ্টার দূরত্বে বকখালি সমুদ্র সৈকত পর্যটকদের কাছে ক্রমশ আকর্ষণীয় ও জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। গত কয়েক বছর ধরে এই পর্যটন কেন্দ্রের দশা বেহাল হলেও পর্যটকদের আকর্ষণ কমেনি। রঙের উৎসব ও ছুটি কাটানোর জন্য তাই এবারও বকখালি ভরে উঠবে বলেই আশা। হোটেল মালিকদের দাবি, গত বছরের শেষ থেকে দোলের বুকিং শুরু হয়ে গিয়েছিল। এসি রুমের চাহিদা সবচেয়ে বেশি। বকখালি ফ্রেজারগঞ্জ হোটেলিয়ার্স অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক দেবরাজ জানা বলেন, ‘৯০ শতাংশ বুকিং হয়ে গিয়েছে। উইক-এন্ড থাকার কারণে বহু পর্যটক এবারে দু’ রাত্রি তিন দিনের জন্য ঘর বুকিং করেছেন। অন্যান্য বছর এক রাতের জন্য এসে পরদিন চেক আউট করে যেতেন অনেকে। এবারের পরিস্থিতি তুলনামূলক অনেকটা ভালো।’ সূত্রের খবর, বকখালিজুড়ে সরকারিভাবে নথিভুক্ত রয়েছে প্রায় ৮০ টি হোটেল ও লজ। এখনও অনেকে ঘরের জন্য ফোন করছেন। কিন্তু সিংহভাগ জায়গাতেই যেহেতু এসি রুম নেই, তাই বাধ্য হয়ে নন এসি রুম নিতে হচ্ছে অনেককে। কেউ কেউ হতাশ হয়ে অন্য পরিকল্পনা করছেন। আগামী দিনে এই পর্যটনকেন্দ্রকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলতে এক গুচ্ছ দাবি নিয়ে গঙ্গাসাগর বকখালি উন্নয়ন পর্ষদের কাছে স্মারকলিপি জমা দিয়েছেন হোটেল ব্যবসায়ী ও মালিকদের সংগঠন। সমুদ্র সৈকতে বসার জায়গা থেকে শুরু করে পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা সহ বিভিন্ন দাবি রয়েছে তাঁদের। নিজস্ব চিত্র