Bartaman Logo
৪ জুলাই, ২০২৬

টার্গেট ৪ শীর্ষ মাওবাদী নেতা, চূড়ান্ত পর্যায়ের অপারেশন জারি

২০২৬ সালের ৩১ মার্চ। দেশ থেকে মাওবাদীদের নিশ্চিহ্ন করার ডেডলাইন বেঁধে দিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। সেই বিষয়টি মাথায় রেখেই দেশজুড়ে জারি মাওবাদী দমন অভিযান।

টার্গেট ৪ শীর্ষ মাওবাদী নেতা, চূড়ান্ত পর্যায়ের অপারেশন জারি
  • ১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নয়াদিল্লি: ২০২৬ সালের ৩১ মার্চ। দেশ থেকে মাওবাদীদের নিশ্চিহ্ন করার ডেডলাইন বেঁধে দিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। সেই বিষয়টি মাথায় রেখেই দেশজুড়ে জারি মাওবাদী দমন অভিযান। হাতে আর বেশিদিন নেই। তাই চূড়ান্ত পর্যায়ের অপারেশন শুরু করেছে নিরাপত্তাবাহিনী। টার্গেট মাওবাদীদের চার শীর্ষনেতা। সূত্রে খবর, এদের মধ্যে তিনজন নিষিদ্ধ সংগঠনের পলিট ব্যুরো তথা কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও একজন কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য। এছাড়াও একাধিক রাজ্যে আরও ৩০০-৩৫০ জন মাওবাদী সক্রিয় রয়েছে। এই চার শীর্ষনেতার তালিকায় প্রথম নাম থিপ্পিরি তিরুপতি ওরফে দেবজি। দ্বিতীয়জন সিপিআই (মাওবাদী)-র প্রাক্তন সাধারণ সম্পাদক মুপ্পালা লক্ষ্মণ রাও ওরফে গণপতি। যদিও তার বয়স সত্তরের বেশি। দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ। তালিকায় রয়েছে মিসির বেসরা। এইমুহূর্তে সিপিআই (মাওবাদী)-র পূর্বাঞ্চল ব্যুরোর মাথা। শেষখবর পাওয়া পর্যন্ত ঝাড়খণ্ডের সারান্ডা অঞ্চলে গা ঢাকা দিয়েছে মিসির। এখানেই দিনকয়েক আগে তার সঙ্গী পতিরাম মাজির মৃত্যু হয়েছে। আর একজন হল মাল্লা রাজি রেড্ডি ওরফে সংগ্রাম। ওড়িশাতেই তার ঘোরাফেরা। এনিয়ে বস্তার রেঞ্জের আইজি পি সুন্দররাজ জানিয়েছেন, ইন্দ্রাবতী জাতীয় উদ্যান, ঝাড়খণ্ডের কিছু অংশের পাশাপাশি  ছত্তিশগড়, ওড়িশা, মহারাষ্ট্র ও তেলেঙ্গানার আন্তঃরাজ্য সীমানায় গোপনে ডেরা বেঁধেছে মাওবাদীরা। এবার সময় ফুরিয়ে এসেছে। হয় হিংসার পথ ছাড়তে হবে নয়তো বাহিনীর মুখোমুখি হতে হবে।

Advertisement
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ