নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: সরকারের কেনা ধান থেকে উৎপাদিত চাল জমা দেওয়ার জন্য খাদ্যদপ্তর ৩০ সেপ্টেম্বর সময়সীমা ধার্য করেছিল। কিন্তু তারপরেও ২৮ হাজার ৬৬২ টন চাল বকেয়া আছে বিভিন্ন জেলার রাইস মিলগুলির কাছে। খাদ্যদপ্তর নির্দেশ দিয়েছে, ১৪ অক্টোবরের মধ্যে পুরো বকেয়া চাল সরকারি গুদামে পাঠাতে হবে। সব থেকে বেশি, ৮৭৬১ টন চাল বকেয়া আছে মুর্শিদাবাদ জেলায়। এছাড়া মালদহ, পূর্ব বর্ধমান, পূর্ব মেদিনীপুর, বীরভূম, উত্তর দিনাজপুর ও বাঁকুড়াতেও চাল বকেয়া আছে বলে খাদ্যদপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে।সরকারি উদ্যোগে কেনা ধান থেকে উৎপাদিত চালের একটা অংশ ‘সেন্ট্রাল পুলে’ জমা পড়ে। ওই চালই রেশন গ্রাহকদের সরবরাহ করা হয়। সেন্ট্রাল পুলের চাল পুরোটাই জমা পড়ে গিয়েছে। স্টেট পুলের চাল বাকি আছে। স্টেট পুলের চাল থেকে রাজ্য খাদ্য সুরক্ষা প্রকল্পের রেশন গ্রাহকদের সরবরাহ করা হয়। ওই চালের জন্য পুরো খরচ রাজ্য সরকার বহন করে। যে রাইস মিলগুলি সরকারি ধান নিয়ে চাল উৎপাদন করে, তাদের নির্দিষ্ট অঙ্কের ব্যাঙ্ক গ্যারান্টি জমা রাখতে হয়। চাল ঠিকমতো না দিলে ব্যাঙ্ক গ্যারান্টির টাকা বাজেয়াপ্ত হয়। পাশাপাশি রাইস মিল মালিকের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা হয়। এবার এই ধরনের ব্যবস্থা নিতে হয় কি না সেটাই দেখার। উল্লেখ্য, ২০২৫-২৬ খরিফ মরশুমে সরকারি উদ্যোগে প্রায় ৪৮ লক্ষ টন ধান কেনা হয়েছিল। তবে আগামী খরিফ মরশুমে ধান কেনার লক্ষ্যমাত্রা কমিয়ে ২৫ লক্ষ টন করা হয়েছে। আপাতত সেন্ট্রাল পুলের চালের জন্য কৃষকদের কাছ থেকে ধান কেনা হবে বলে ঠিক হয়েছে। পয়লা ডিসেম্বর এই প্রক্রিয়া শুরু হবে।



