দুর্গাপুরের প্রভাত সংঘের পুজোর  রাশ এলাকার প্রমীলা বাহিনীর হাতে
  • ১১ অক্টোবর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, দুর্গাপুর: চাঁদা তোলা থেকে মণ্ডপ নির্মাণ, প্রতিমা নির্বাচন থেকে পুজোর যাবতীয় আয়োজন, সব দায়িত্বই নিজেদের কাঁধে তুলে নিয়েছেন মহিলারা। বেনাচিতির প্রভাত সংঘ ক্লাবের দুর্গোৎসবে এভাবেই নজির গড়ছে প্রমীলা বাহিনী। দুর্গাপুরের এই মহিলা পরিচালিত দুর্গাপুজো এবার ষষ্ঠ বর্ষে পদার্পণ করছে। থিমের বৈচিত্র্যে প্রতিবার দর্শক টানে তারা। এবার তাদের থিমে ফুটে উঠছে কর্ণাটকের রামক্ষেত্র মন্দির।

Advertisement

শহরের পুজোর মানচিত্রে নিজস্ব পরিচিতি গড়ে তুলেছে প্রভাত সংঘ। গত কয়েক বছরে কেদারনাথ ও আদি যোগীর আদলে মণ্ডপ নির্মাণ দর্শনার্থীদের নজর কেড়েছিল। সেই ধারাবাহিকতা বজায় রেখে এবারও দক্ষিণ ভারতের মন্দির স্থাপত্যকে তুলে ধরার পরিকল্পনা নিয়েছেন উদ্যোক্তারা। এবার পুজোর বাজেট প্রায় ১৬লক্ষ টাকা। মণ্ডপের সাজসজ্জা ও সবরকম আয়োজনে ব্যস্ত উদ্যোক্তারা।
পুজো কমিটির সদস্যা জয়ন্তী বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, প্রায় ২০০জন মহিলা এই উদ্যোগের সঙ্গে যুক্ত। এলাকার মহিলারাই বাড়ি বাড়ি গিয়ে চাঁদা সংগ্রহ করেন। পাশাপাশি উৎসব পরিচালনার অন্যান্য দায়িত্বও সামলান। আমরা জোর করে কারও কাছ থেকে চাঁদা নিই না। বাসিন্দারা স্বেচ্ছায় যে অনুদান দেন তার ভিত্তিতেই পুজোর আয়োজন করা হয়। তৃতীয়ার দিন মণ্ডপ উদ্বোধনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। অনুষ্ঠানে রাজ্যের এক মন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। পুজোর চারদিন শিশুদের নিয়ে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং প্রসাদ বিতরণের ব্যবস্থা থাকবে। দর্শনার্থীদের জন্য আরও বেশকিছু আকর্ষণ থাকছে। 
 বেনাচিতির প্রভাত সংঘে মহিলাদের হাতেই পুজোর যাবতীয় দায়িত্ব।-নিজস্ব চিত্র