দশমীর বিসর্জনে ফিরল সুটুঙ্গার পুরনো ঐতিহ্য, শিকারা ভ্রমণে পর্যটনকেন্দ্র গড়ার ঘোষণা নিশীথ প্রামাণিকের
  • ২২ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:২০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, মাথাভাঙা: দশমীর বিসর্জনে আবেগে ভাসলো মাথাভাঙা। জমকালো আলোর রোসনাইয়ে সন্ধ্যার সুটুঙ্গা হয়ে থাকলো স্মৃতি। দীর্ঘ প্রায় এক দশম পর আবারো নৌকায় প্রতিমা নিরঞ্জন হলো সুটুঙ্গা-মানসাই নদীর মোহনার খাদনের ঘাটে। উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিকের উপস্থিতিতে বিসর্জন সম্পর্ণ হয়।  এই বিসজর্নে অংশ গ্রহন করেছিলেন হাজার হাজার মানুষ। দশমীর দুপুর থেকে নদীর দুই তীরে মানুষ ভিড় করতে শুরু করে। রঙ বেরঙে সাজানো নৌক নদীতে চলতে শুরু করতেই মানুষ আবারো পুরনো ঐতিহ্য ফিরিয়ে পাওয়ার আবেগে আপ্লুত হয়ে পড়েন। আর বিসর্জনের মাঝেই উত্তরবঙ্গের উন্নয়ন মন্ত্রী ঘোষনা করেন, মাথাভাঙার সুটুঙ্গাতে কাশ্মীরের ডাল লেকের শিকারা নৌকার আদলে তৈরি নৌকায় ভ্রমনের সুযোগ থাকবে। ফলে প্রচুর পর্যটক এখানে আসবেন। পর্যটন ডেস্টিনেশন হিসেবে তুলে ধরা হবে সুটুঙ্গাকে।

Advertisement

 প্রসঙ্গত, সুটুঙ্গায় নৌকায় করে প্রতিমা নিরঞ্জন শহরের ঐতিহ্য। নানা কারণ দেখিয়ে নৌকয় প্রতিমা নিরঞ্জন বন্ধ করে দেওয়া হয় এক দশক আগে। এইবারের বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারে এসে নৌকয় প্রতিমা নিরঞ্জন ফিরিয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন বিজেপির নিশীথ প্রামাণিক। তিনি মাথাভাঙা থেকে জেতার পর উত্তরবঙ্গের উন্নয়ন মন্ত্রী হন। সুটুঙ্গায় পুরনো ঐতিহ্য ফিরিয়ে দেওয়া সহ নির্বিঘ্নে নিরঞ্জন সম্পন্ন করা চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছিল। ব্যাপক প্রশাসনিক তৎপরতা ছিলো প্রথম থেকে। সাধারন মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত সহযোগিতাও এদিন ছিলো নজরকাঁড়া। নৌকাতে ঐতিহ্য সাংস্কৃতির নানা দিক তুলে ধরা হয়। শেষে লেজার লাইটে ফুটিয়ে তোলা দশভুজা দেবির দুর্গার ছবি। আর এই বিশাল জনসমুদ্র দেখে আপ্লুত উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী বলেন, এত মানুষ, আবেগের নিরঞ্জন দেখতে এসেছেন। আপনাদের এই উপস্থিতি মাথাভাঙায় আরও বড় কোনো অনুষ্ঠান করার প্রেরণা দেয়। আগামীতে আরও বড় কিছু করার চেষ্টা করবো আমরা।