আমেদাবাদ: তৃণমূল ছেড়ে এনসিপিআই-এ যোগ দিয়েছেন ইউসুফ পাঠান। সেই জার্সি বদল তথা কেন্দ্রের এনডিএ সরকারকে সমর্থনের ‘কৃতজ্ঞতা’ হিসাবেই কি বিতর্কিত জমি ‘উপহার’ পেলেন তিনি? গুজরাতের বিজেপি সরকারের সিদ্ধান্তে এই প্রশ্নই তুলছে বিরোধী কংগ্রেস। জমি জবরদখলের অভিযোগে ভারতীয় ক্রিকেট দলের প্রাক্তন অল রাউন্ডারকে ২০২৪ সালের জুনে নোটিস পাঠিয়েছিল ভদোদরা পুরসভা। সেই বিতর্কিত জমিই পাঠানের নামে বরাদ্দ করে দেওয়া হয়েছে। ওই প্লটটির ৫০০ বর্গমিটার জমি বরাদ্দ করা হয়েছে বিনামূল্যে। বাকি ৪৭৮ বর্গমিটার ৪৫ শতাংশ ছাড়ে। এই ইস্যুতে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে। যদিও বিজেপি নেতা তথা গুজরাতের মন্ত্রী জিতু ভাঘানির সাফাই, আইন মেনেই এধরনের অনুমোদন দেওয়া হয়। সাধারণ মানুষের জন্যও একইভাবে জমি বরাদ্দ করে থাকে বিজেপি সরকার।
ভদোদরা পুরসভার অন্তর্গত ৯৭৮ বর্গ মিটার জমি পাঠানকে বরাদ্দের জন্য সম্প্রতি প্রস্তাব পাশ করেছে গুজরাত সরকার। যদিও এই জমিটিই জবরদখলের অভিযোগে তৃণমূলে থাকাকালীন পুরসভার নোটিস পেয়েছিলেন প্রাক্তন ক্রিকেটার। সরকারের এই ভোলবদল নিয়ে মন্ত্রী ভাঘানি বলেছেন, বিস্তারিত তথ্য আমার জানা নেই। তবে সাধারণত সংশ্লিষ্ট আইন ও বিধি মেনেই সরকারি দপ্তরগুলি জমি হস্তান্তর করে। যদিও তাতে চিঁড়ে ভিজছে না। কংগ্রেসের অভিযোগ, পাঠান জার্সি বদলে এনডিএ শিবিরে যোগ দেওয়ার কারণেই বিতর্কিত জমিটি নিয়ে গুজরাত সরকার সিদ্ধান্ত বদলেছে। প্রদেশ কংগ্রেসের মুখপাত্র নিশান্ত রাভাল বলেন, ‘পাঠান সেই ২০১২ সালে জমিটির জন্য আবেদন জানিয়েছিলেন। কিন্তু পরবর্তীকালে তাঁকে জবরদখলের অভিযোগে নোটিস ধরানো হয়েছিল। প্রশ্নটা সহজ। পাঠান যখন আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার ছিল, তখন কি তাঁকে সম্মান জানানো উচিত বলে মনে হয়নি ভদোদরা পুরসভার? পাঠান এনডিএ শিবিরে যোগ দিতেই গুজরাত সরকারের এই ভোলবদল।’ বিতর্ক তুঙ্গে ওঠায় মন্ত্রী নিশান্ত ভাঘানির পালটা বক্তব্য, কংগ্রেসের অভিযোগ করার অধিকার আছে। তাই এ নিয়ে আমার কিছু বলার নেই। কিন্তু পাঠান যখন তৃণমূলে ছিলেন, তখন কংগ্রেস নীরব ছিল কেন? ফাইল চিত্র



