নিজস্ব প্রতিনিধি, বরানগর: বকেয়া বেতন ও ভাতার দাবিতে পানিহাটি পুরসভার মূল গেট আটকে বৃহস্পতিবার বিক্ষোভে বসেছিলেন অস্থায়ী কর্মীরা। তখন পুরসভায় ঢুকতে গিয়ে বাধা পান বিজেপির উত্তর শহরতলি জেলা সভাপতি চণ্ডীচরণ রায় ও বিজেপি নেতা জয় সাহা। তা নিয়ে হুলস্থুল শুরু হয়। দুই পক্ষের বচসা হয়। পরে অবরোধ তুলতে আসা পুলিশকর্মীদের সঙ্গে অস্থায়ী কর্মীদের তুমুল ধস্তাধস্তি শুরু হয়। পুলিশ বেশ কয়েকজন অস্থায়ী কর্মীকে আটক করে নিয়ে যায়। যদিও খড়দহ থানার পুলিশ জানিয়েছে, কাউকে আটক বা গ্রেপ্তার করা হয়নি।
অস্থায়ী কর্মীদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরেই তাঁদের বেতন ও ভাতা বকেয়া রয়েছে। পুজোর আগে সেই বেতন ও ভাতা দিতে হবে। এই দাবি তারা বার বার পুরসভা কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছেন। তাতেও কোনও লাভ হয়নি। তাই বাধ্য হয়ে পুরসভার গেট আটকে বিক্ষোভ দেখিয়েছেন। দাবি পূরণ না হলে আগামী দিনে বৃহত্তর আন্দোলন করা হবে।
আর বিজেপির দাবি, আন্দোলনের অধিকার সবার আছে। তবে পুরসভার গেট আটকে আন্দোলন করা যায় না। এই বিক্ষোভের মধ্যেই অস্থায়ী কর্মীদের নিয়োগ নিয়েও প্রশ্ন তোলেন বিজেপির জেলা সভাপতি চণ্ডীচরণ রায়। তিনি বলেন, করোনার সময়ে জরুরি ভিত্তিতে ছ’মাসের জন্য পুরসভায় অনেক কর্মী নেওয়া হয়েছিল। পরে কাউন্সিলাররা নিজেদের ইচ্ছায় ওই অস্থায়ী কর্মীদের কাজের মেয়াদ বাড়ান। অনেকেই পুরসভার কাজের বদলে কাউন্সিলারদের বাড়িতে রান্না, বাজার বা গাড়ি চালানোর মতো ব্যক্তিগত কাজ করতেন। প্রকৃত পুরকাজে যুক্ত কর্মীদের বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য পুরসভার আধিকারিকদের সঙ্গে
কথা বলব।