Bartaman Logo
৬ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

কোন্নগরে আম ‘চুরি’ কাণ্ডে জখম কিশোরের চোখ ঠিক হতে লাগবে সময়, ফিরল বাড়িতে

আম পাড়া নিয়ে মারধরে জখম কোন্নগরের কিশোর বাড়ি ফিরল। একদিন কলকাতার মেডিক্যাল কলেজে চিকিৎসাধীন থাকার পরে রবিবার সে বাড়িতে ফিরেছে।

কোন্নগরে আম ‘চুরি’ কাণ্ডে জখম কিশোরের  চোখ ঠিক হতে লাগবে সময়, ফিরল বাড়িতে
  • ৯ জুন, ২০২৫ ০৪:০০

নিজস্ব প্রতিনিধি, চুঁচুড়া: আম পাড়া নিয়ে মারধরে জখম কোন্নগরের কিশোর বাড়ি ফিরল। একদিন কলকাতার মেডিক্যাল কলেজে চিকিৎসাধীন থাকার পরে রবিবার সে বাড়িতে ফিরেছে। তার মা জানিয়েছেন, ছেলের চোখ আগের থেকে অনেকটা ভালো আছে। তবে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, কোটরের হাড় জোড়া লাগতে সময় লাগবে। এদিকে, কোন্নগর ফাঁড়ি ও উত্তরপাড়া থানার পুলিস জানিয়েছে, ওই কিশোর একটু সুস্থ হলে অভিযুক্তদের ছবি দেখিয়ে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। তবে প্রাথমিকভাবে যে বাড়ির সদস্যদের বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ উঠেছে, তাঁদের ছবি ওই কিশোর শনাক্ত করতে পারেনি। অর্থাৎ, সেই বাড়ির সদস্যরাই তাকে মেরেছিল, তা এখনও পর্যন্ত প্রমাণিত নয়। ফলে, ঘটনা সেদিন ঠিক কী হয়েছিল তা নিয়েও ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে।

Advertisement

এদিকে, ওই ঘটনায় এক টোটোচালকের যুক্ত থাকার অভিযোগ উঠেছে। কোন্নগরের সেই টোটোচালকের ছবিও আনানো হয়েছে। কোন্নগরের বাসিন্দা ওই কিশোরের মা বলেন, ছেলে একটু সুস্থ বোধ করছে। চিকিৎসা অনেকদিন চালাতে হবে। ছেলের চোখের কোটরের হাড় টুকরো টুকরো হয়ে গিয়েছে। তবে পায়ের চোট গুরুতর নয়, এমনটাই চিকিৎসকরা জানিয়েছেন। পুলিস আমাদের সঙ্গে ন্যায় করুক, সেটাই একমাত্র দাবি।
প্রসঙ্গত, গত বৃহস্পতিবার রাতে কোন্নগর মাস্টারপাড়ার কাছে একটি রাস্তার ধারে এক কিশোরকে জখম অবস্থায় পাওয়া যায়। স্থানীয় বাসিন্দারা ওই কিশোরের যত্ন নেওয়ার সঙ্গে পুলিসকেও জানান। পুলিস এসে কিশোরকে উদ্ধার করে বাড়িতে দিয়ে আসে। ওই কিশোরের দাবি, মাস্টারপাড়া মোড়ের উপরে একটি বাড়িতে সে ও তার বন্ধু আম পাড়তে গিয়েছিল। বাড়ির মালিকরা চুরির বিষয়টি বুঝতে পারায় তার বন্ধু পালিয়ে যায়। বাড়ির মালিকরা তাকে ধরে ফেলেন। তারপর বাড়ির মালিকদের কথায় এক টোটোচালক তাকে বেদম মেরে রাস্তায় ফেলে যায়। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই হইচই শুরু হয়।
রবিবারও অভিযুক্ত পরিবারের সদস্যরা দাবি করেছেন, তাঁদের বাড়িতে সকলেই বৃদ্ধ। তাঁরা কখনও কাউকে মারেননি। এমনকী আমও তাঁরা এমনিই বিলিয়ে দেন। তাঁদের আরও দাবি, ওই কিশোর তাঁদের ছবি দেখে হামলাকারী হিসেবে শনাক্তও করতে পারেনি। ফলে, ঘটনাকে ঘিরে রহস্য তৈরি হয়েছে। 

সম্পর্কিত সংবাদ