Bartaman Logo
৩ অক্টোবর, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

আয়ত্তের মধ্যে আবাসনের সংখ্যা কমার কারণ করের বোঝা: ক্রেডাই, ফ্ল্যাটের দামের ৩০-৫০ শতাংশই ট্যাক্স

জমির দাম, নির্মাণ খরচ আর বিপুল করের বোঝায় সস্তার বা আয়ত্তের মধ্যে বাড়ি বানাতে পারছেন না আবাসন নির্মাতারা।

আয়ত্তের মধ্যে আবাসনের সংখ্যা  কমার কারণ করের বোঝা: ক্রেডাই, ফ্ল্যাটের দামের ৩০-৫০ শতাংশই ট্যাক্স
  • ৩ অক্টোবর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: জমির দাম, নির্মাণ খরচ আর বিপুল করের বোঝায় সস্তার বা আয়ত্তের মধ্যে বাড়ি বানাতে পারছেন না আবাসন নির্মাতারা। শুক্রবার কলকাতায় এমনই দাবি করল দেশের আবাসন নির্মাণ সংস্থাগুলির সবচেয়ে বড়ো সংগঠন ক্রেডাই। সংগঠনের সর্বভারতীয় সভাপতি শেখর প্যাটেল বলেন, একটা ফ্ল্যাট বিক্রি হলে, তার দামের ৩০ থেকে ৫০ শতাংশই চলে যায় কেন্দ্র, রাজ্য আর পুরসভাকে কর দিতে। এই কারণেই ‘অ্যাফর্ডেবল হাউজিং’ বা আয়ত্তের মধ্যে আবাসনের জোগান কমছে। সরকার যাতে কর কমায় এবং কিছু সুযোগ-সুবিধা দেয়, সেই দাবি জানিয়েছেন তিনি। বলেন, আমরা সরকারের সঙ্গে এনিয়ে আলোচনা চালাচ্ছি। আশা করি, আগামী ছ’মাসের মধ্যে সরকার কিছু পদক্ষেপ করবে। তাতে আয়ত্তের ম঩ধ্যে বাড়ির জোগান বাড়তে পারে। ক্রেডাইয়ের তথ্য, যত আবাসন প্রকল্প বাজারে আসে, এখন তার মধ্যে আয়ত্তের মধ্যে বাড়ির হার ১৪ শতাংশে নেমে এসেছে। ক্রেডাই দাবি করেছে, আয়ত্তের মধ্যে বাড়ির যে সংজ্ঞা আছে, তা বদলানো দরকার। এখন ৪৫ লক্ষ টাকা দামের মধ্যে হলেই তাকে সাশ্রয়ী বাড়ি বা আয়ত্তের মধ্যে আবাসন বলা হয়। ক্রেডাই চাইছে, এই টাকার সীমা তুলে দেওয়া হোক। শুধু ফ্ল্যাটের আকারই দেখা হোক—মেট্রো শহরে ৬০ বর্গমিটার আর অন্য শহরে ৯০ বর্গমিটার। তাহলেই তাকে সাশ্রয়ী বাড়ি হিসাবে চিহ্নিত করা হোক। এদিন ক্রেডাই কর্তারা জানান, আগামী দিনে রেপো রেট বাড়লে, বাড়ি বিক্রিতে সেভাবে তার প্রভাব পড়বে না। অন্যদিকে, ক্রেডাই-এর চেয়ারম্যান বোমান ইরানি বলেন, উৎসবের মরশুমে বাড়ির চাহিদা ভালোই।

Advertisement
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ