নয়াদিল্লি: শুক্রবার রাঁচিতে ২৪৯ তুলেও হেরেছে ভারত। সিরিজের দ্বিতীয় টি-২০ ম্যাচে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ৬ উইকেটে জয় এনে দেয় শাই হোপের শতরান। ক্যারিবিয়ান ক্যাপ্টেনের তাণ্ডবের সামনে দিশাহারা দেখায় শ্রেয়স ব্রিগেডকে। এই হারের ময়নাতদন্তে কিংবদন্তি ওপেনার সুনীল গাভাসকর আঙুল তুলেছেন বোলিং পরিবর্তনের দিকে। ১৭তম ওভারে কুলদীপ যাদবকে বল দেওয়া হয়। সেই ওভারে ওঠে ২৪ রান। তিনটি ছক্কা ও একটি বাউন্ডারি হজম করেন কুলদীপ। দেন ওয়াইডও। সানির মতে, সেই ওভারই ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয়।
জিওস্টারে প্রাক্তন অধিনায়ক বলেছেন, ‘আমি হলে ১৭তম ওভার অর্শদীপ সিং বা মায়াঙ্ক যাদবকে দিয়ে বল করাতাম। কারণ, শুরুতে মায়াঙ্কই ধাক্কা দিয়েছিল বিপক্ষ ইনিংসে। প্রথম তিনটি উইকেটই ওর। মায়াঙ্কের ইকনমি রেট ছিল ওভারপ্রতি প্রায় ১২। সেই সময় ওভারপ্রতি এর চেয়েও বেশি রানের দরকার ছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজের। তাই মায়াঙ্ক যদি আর একটা উইকেট পেত, তাহলে কী হত বলা মুশকিল। সবসময় তো উইকেটের জন্য দুর্দান্ত ডেলিভারির প্রয়োজন পড়ে না!’ উল্লেখ্য, এই ম্যাচে ভারতীয় বোলারদের মধ্যে মায়াঙ্কই সফলতম। পাওয়ার প্লে’র মধ্যেই কামিল পুরান, শিমরন হেটমায়ার ও রভম্যান পাওয়েলকে ফেরান তিনি। সেই সময় একটি ওভার বাকিও ছিল মায়াঙ্কের। গাভাসকর আরও বলেন, ‘তখন একটা উইকেট পড়লেই বিপক্ষ ব্যাকফুটে চলে যেতে বাধ্য হত। ক্রিজে আসত নতুন ব্যাটার। তাই মায়াঙ্ককে বল দিয়ে চান্স নেওয়াই যেত। এছাড়া, নবম ওভারে শিবম দুবেকে আক্রমণে আনারও প্রয়োজন ছিল না। সেই সময় ব্যাটসম্যানরা ক্রিজে থিতু হওয়ার চেষ্টা করছিল। তখন কুলদীপকে বল দেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ হত।’
সদ্য প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটকে বিদায় জানানো লেগস্পিনার যুজবেন্দ্র চাহাল আবার প্রশ্ন তুলেছেন পাটা পিচ নিয়ে। তাঁর মতে, ‘এই ধরনের পিচে বোলারের জন্য কিছুই থাকে না। একবার বল পুরনো হয়ে গেলে শিশির পড়ার পর ব্যাটে অনায়াসে আসে। ফলে শট খেলতে সুবিধা হয়। তাছাড়া এখন মাঠও ছোটো হয়ে আসছে। আইপিএলেও ১৯ ওভারেই ২৬০ তুলে ফেলছে দলগুলো। এই ম্যাচেও তো ১৮.৩ ওভারে উঠল ২৫০ রান।’ চাহালের প্রশ্ন, ‘এই পরিস্থিতিতে বোলাররা কী করবে? তাদের স্কিল দেখাবেই বা কীভাবে? নিজে বোলার বলেই ওদের জন্য খারাপ লাগছে।’



