


নিজস্ব প্রতিনিধি, আসানসোল: রবিবার নির্বিঘ্নেই সম্পন্ন হয় এসএসসির একাদশ ও দ্বাদশের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা। পশ্চিম বর্ধমানের ১১টি পরীক্ষাকেন্দ্রে সিট পড়েছিল ৭,৮৭৮ জন পরীক্ষার্থীর। পরীক্ষা দেন ৬,৮৭২ জন। পরীক্ষাকেন্দ্রগুলিতে নানা চিত্র ফুটে উঠেছে। এদিকে যেমন নতুনরা পরীক্ষা দিতে পেরে খুশি, তেমনি যাঁদের চাকরি সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে চলে গিয়েছে তাঁরা কার্যত হতাশ। নবম ও দশম শ্রেণির মতোই এদিনও ভিন রাজ্য থেকে বহু পড়ুয়া এই পরীক্ষা দিতে শিল্পাঞ্চলে এসেছিলেন।
ফের এসএসসি পরীক্ষায় বসার সুযোগ পেয়ে খুশি বেশিরভাগ পরীক্ষার্থী। তাঁদের দাবি, যেভাবে পরীক্ষাকেন্দ্রগুলিকে কঠোর নিরাপত্তায় মুড়ে ফেলা হয়েছে। তাতে যেমন সুষ্ঠুভাবে পরীক্ষা হয়েছে, তেমনই নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ স্বচ্ছ ভাবে হোক। অন্যদিকে, এদিন কালো পোশাক পরে পরীক্ষা দিতে আসেন রূপা কর্মকার। তিনি বর্তমানে গৌরান্ডি আরকেএস ইনস্টিটিউশনের শিক্ষিকা। ওই পরীক্ষার্থী বলেন, সুপ্রিম কোর্টের রায় হতাশজনক। তাই যোগ্যতার ভিত্তিতে চাকরি পেয়েও আমাদের ফের পরীক্ষায় বসতে হচ্ছে। এই পরিস্থিতির জন্য দায়ী একমাত্র এসএসসি। আমাদের মতো একজন কর্মরতাও যদি এই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে না পারেন তার দায় এসএসসিকেই নিতে হবে। এর প্রতিবাদেই কালো পোশাক পরে পরীক্ষা দিচ্ছি।
অন্যদিকে আর এক পরীক্ষার্থী পরীক্ষাকেন্দ্রে এসেও পরীক্ষা দিতে পারেননি। দুর্গাপুর প্রজেক্ট টাউনশিপ স্কুলে সিট পড়েছিল অঙ্কিতা ভগতের। তিনি পরীক্ষা কেন্দ্রে গিয়ে জানান, তাঁর বিষয় সংস্কৃত কিন্তু অ্যাডমিটের বিষয় উল্লেখ রয়েছে স্ট্যাটিস্টিক্স। শেষ মুহূর্তে এই সমস্যা মেটানো সম্ভব হয়নি প্রশাসনের পক্ষে। -নিজস্ব চিত্র