


নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: মাটির অম্লভাব হ্রাস এবং লবণের পরিমাণ কমাতে বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণের নির্দেশ দিল কৃষিদপ্তর। যেসব জেলায় এই সমস্যা আছে তাদের জন্য নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। এই দুই কারণে মাটির পুষ্টিগুণ কমছে। যার প্রভাব পড়ছে চাষে। ফলে সমস্যা দেখা দেওয়ার সম্ভাবনা। সে কারণে আগেভাগেই ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ জেলাগুলিকে।
এর আগে পরীক্ষা করে দেখা গিয়েছে, বহু জমির পিএইচ ৫.৫ এর নীচে। এই নিয়ে দপ্তরের চিন্তা বেশি। পুরোদমে চাষ শুরু হওয়ার আগে ওই জমিগুলি উর্বর করে তুলতে হবে বলে আধিকারিকদের অভিমত। অম্লভাব কমাতে মাঠে চুন ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। মাটির পিএইচ পরিমাপ ঠিক করা গেলে ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে বলে দাবি বিশেষজ্ঞদের। বীরভূম, বাঁকুড়া, ঝাড়গ্রাম সহ মোট আটটি জেলায় এই সমস্যা রয়েছে। তাই সেখানে এক হাজার ৬৪০ হেক্টর জমিতে অম্লভাব কাটানোর উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। অন্যদিকে দুই ২৪ পরগনা এবং পশ্চিম মেদিনীপুরেও চাষের জমির একাংশ লবণাক্ত। তা কাটাতে সেখানে সবুজ সার ব্যবহারের টোটকা দেওয়া হয়েছে। এতে মাটির মান উন্নত হবে এবং ফসলের জন্য তা যথেষ্ট উপকারী। এই তিন জেলায় ৯২৫ হেক্টর জমিতে এই পদ্ধতি ব্যবহারের কথা বলা হয়েছে। উল্লেখ্য, চলতি অর্থবছরে পাঁচ লক্ষ মাটির নমুনা পরীক্ষার লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছে কৃষিদপ্তর। ৩১ মে’র মধ্যে নমুনা সংগ্রহ থেকে পরীক্ষা করে মাটির স্বাস্থ্য কার্ড কৃষকদের হাতে তুলে দেওয়ার প্রক্রিয়া শেষ করার নির্দেশ দিয়েছে দপ্তর।