নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: চাপের মুখে বাদ পড়া ও নতুন ভোটারদের অন্তর্ভুক্ত করতে বিশেষ অভিযান শুরু করেছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। নাম তোলার ক্ষেত্রে ফর্ম-৬-এর সঙ্গে যে বিতর্কিত ফর্ম যুক্ত করা হয়েছিল তাও একরম প্রত্যাহার করতে বাধ্য হয়েছেন জ্ঞানেশ কুমাররা। আর এই আবহেই সাংবিধানিক সংস্থা হিসাবে নিজেদের ‘নিরপেক্ষ’ প্রমাণ করতে মরিয়া চেষ্টা চালাচ্ছে তারা। সোমবার তারা জানিয়েছে, কোনো যোগ্য ভোটার যাতে বাদ না যান সেজন্য যে বিশেষ অভিযান শুরু হয়েছে তার আওতায় এবার রাজ্যের সর্বত্র বিশেষ শিবিরের আয়োজন করতে চলেছে কমিশন।
এদিন রাজ্য মুখ্য নির্বাচনি আধিকারিকের (সিইও) দপ্তর জানিয়েছে, ‘ভারতের নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী, ভোটার তালিকায় যাতে কোনো যোগ্য ভোটারের নাম বাদ না পড়ে, তা নিশ্চিত করতে পশ্চিমবঙ্গের ২৪ জন জেলা নির্বাচনি আধিকারিক সক্রিয়ভাবে প্রচার অভিযান শুরু করেছেন। এই উদ্দেশ্যে রাজ্যজুড়ে বিশেষ শিবিরের আয়োজন করা হচ্ছে।’ এছাড়াও সিইও অফিসের তরফে আরও জানানো হয়েছে, ‘এক্ষেত্রে কারও কোনো অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট বুথ লেভেল অফিসার বা বিএলও, অ্যাসিস্ট্যান্ট ইলেক্টোরাল রেজিস্ট্রেশন অফিসার (এইআরও), ইলেক্টোরাল রেজিস্ট্রেশন অফিসার (ইআরও) অথবা জেলা নির্বাচনি আধিকারিকের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন। ভোটার তালিকা থেকে কোনো যোগ্য ভোটারের নাম যাতে বাদ না পড়ে, তা নিশ্চিত করতে আমরা দায়বদ্ধ।’ যদিও এই বিশেষ অভিযানের আওতায় এসআইআর ট্রাইবুনালে আবেদনকারী অর্থাৎ তালিকা থেকে বাদ পড়া ভোটাররা সংযুক্ত হতে পারবেন কি না তা নিয়ে স্পষ্ট নির্দেশিকা সিইও অফিসের কাছে নেই বলে খবর। ইতিমধ্যেই বিষয়টি নিয়ে জানতে চেয়ে দিল্লিতে চিঠি পাঠিয়েছেন সিইও নীলম মিনা। ফলে বাদ পড়া ভোটারদের নাম অন্তর্ভুক্ত করার এই বিশেষ অভিযান এরাজ্যে কতটা সফলভাবে কার্যকর হবে তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছে ওয়াকিবহাল মহল।



