মুম্বই: অযোধ্যায় বাবরি মসজিদ ধ্বংস করা উচিত হয়নি। এই ধরনের কথা বললেই কেউ দেশদ্রোহী হয়ে যায় না। মঙ্গলবার এক মামলার শুনানিতে এমনই পর্যবেক্ষণ বম্বে হাইকোর্টের। উচ্চ আদালতের বিচারপতি মাধব জামদারের বক্তব্য, দেশে নাগরিকদের ভিন্নমত পোষণের অধিকার রয়েছে।
মুম্বই: অযোধ্যায় বাবরি মসজিদ ধ্বংস করা উচিত হয়নি। এই ধরনের কথা বললেই কেউ দেশদ্রোহী হয়ে যায় না। মঙ্গলবার এক মামলার শুনানিতে এমনই পর্যবেক্ষণ বম্বে হাইকোর্টের। উচ্চ আদালতের বিচারপতি মাধব জামদারের বক্তব্য, দেশে নাগরিকদের ভিন্নমত পোষণের অধিকার রয়েছে।
১৯৯২ সালের ৬ ডিসেম্বর বাবরি মসজিদ ধ্বংস করে দেওয়া হয়। পরে ২০২৪ সালের ২২ জানুয়ারি ওই জায়গাতেই রামমন্দির প্রতিষ্ঠা করা হয়। এনিয়ে বিতর্কের অন্ত নেই। সম্প্রতি বাবরি মসজিদ ধ্বংস সহ একাধিক বিষয় নিয়ে সরব হয়েছিলেন সোশ্যাল ডেমোক্র্যাটিক পার্টি অব ইন্ডিয়ার দুই সদস্য। এর জেরে তাঁদের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের হয়। ঘটনার তদন্তে নেমে ২০২৫ সালের ৩ ডিসেম্বর অভিযুক্ত ফিরোজ আব্দুল ওয়াহাব খান ও মহম্মদ রফিক গুলাম রসুল আনসারির বিরুদ্ধে বহিষ্কারের নির্দেশ জারি করেছিল মুম্বই পুলিশ। স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়, একবছর মুম্বইতে ঢুকতে পারবেন না দু’জন।
পুলিশের এই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে বম্বে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন সোশ্যাল ডেমোক্র্যাটিক পার্টি অব ইন্ডিয়ার সদস্যরা। পুরো বিষয়টি শোনার পর বহিষ্কারের নির্দেশ বাতিল করে দেয় হাইকোর্ট। আদালতের পর্যবেক্ষণ, মামলাকারীরা একটি নির্দিষ্ট ধর্মের বলে তাঁদের বিরুদ্ধে বেছে বেছে পদক্ষেপ করা যায় না। রাজ্যের যুক্তি, বাবরি মসজিদ ইস্যুতে মামলাকারীরা কোনো বিক্ষোভে অংশ নিলে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট হবে। ওদের স্লোগানে সমাজে শান্তি ভঙ্গ হতে পারে। এনিয়ে আদালতের বক্তব্য, এইসংক্রান্ত কোনো তথ্য-প্রমাণ নেই। শুধুমাত্র আশঙ্কার ভিত্তিতে মানুষের মৌলিক অধিকার খর্ব করা যায় না।