Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / ব্ল্যাকবোর্ড

মহাকাশের ঘড়ি

দীর্ঘ ৪০ বছরের অপেক্ষার অবসান। ফের মহাকাশযাত্রা করতে চলেছেন এক ভারতীয় নভোশ্চর। ১৯৮৪ সালে প্রথম ভারতীয় হিসেবে মহাকাশে গিয়েছিলেন রাকেশ শর্মা।

মহাকাশের ঘড়ি
  • ২৬ মে, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

 দীর্ঘ ৪০ বছরের অপেক্ষার অবসান। ফের মহাকাশযাত্রা করতে চলেছেন এক ভারতীয় নভোশ্চর। ১৯৮৪ সালে প্রথম ভারতীয় হিসেবে মহাকাশে গিয়েছিলেন রাকেশ শর্মা। তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর সঙ্গে তাঁর কথোপকথন সকলেই শুনেছেন। এবার সেই তালিকায় নাম জুড়তে চলেছে ভারতীয় বায়ুসেনার গ্ৰুপ ক্যাপ্টেন শুভাংশু শুক্লার। অক্সিয়ম-৪ অভিযানের সদস্য হিসেবে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশেন পাড়ি দেবেন তিনি। সেখানে থাকাকালীন চলবে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিস্তর গবেষণা। সঙ্গে থাকবেন আরও কয়েকজন দক্ষ মহাকাশচারী। প্রশিক্ষণ পর্ব ইতিমধ্যেই শেষ হয়েছে। এবার শুধু যাত্রা শুরুর অপেক্ষা। মহাকাশে তো যাওয়া হবে। সেখানে সময়ের হিসেব কী করে রাখবেন শুভাংশুরা? সেকথা মাথায় রেখে প্রত্যেক নভোশ্চরকে দেওয়া হচ্ছে একজোড়া বিশেষ ঘড়ি। প্রস্তুতকারক ওমেগা। এটাই অবশ্য প্রথম নয়। প্রায় ছ’দশকের বেশি সময় ধরে নভোশ্চরদের জন্য ঘড়ি তৈরি করে আসছে এই নামী সংস্থাটি। এবিষয়ে অক্সিয়ম স্পেস জানিয়েছে, ‘অক্সিয়ম-৪ মিশনের জন্য প্রস্তুতি প্রায় শেষ। এই অভিযানের সদস্যদের হাতে থাকবে ওমেগার ঘড়ি। ৬০ বছর আগে স্পিডমাস্টার গোত্রের এই ঘড়িকে মান্যতা দিয়েছিল নাসা। তারপর থেকেই এটি মহাকাশচারীদের অন্যতম সঙ্গী হিসেবে পাড়ি দিয়েছে মহাশূন্যে।’

Advertisement

আসন্ন অভিযানে দু’টো ঘড়ি ব্যবহার করবেন শুভাংশুরা। একটি এক্স-৩৩ স্কাইওয়াকার। অপরটি স্পিডমাস্টার প্রফেশনাল মুন ওয়াচ। অত্যাধুনিক এই ঘড়ি দু’টি মহাকাশের কঠিন পরিস্থিতিতে সচল থাকতে সক্ষম। তাপমাত্রার পরিবর্তন, মাধ্যাকর্ষণ শক্তি, মাইক্রো গ্ৰ্যাভিটি থেকে শুরু করে শূন্যতা—কোনও ক্ষেত্রেই সমস্যা হবে না। এমনকী এর ক্ষয় পর্যন্ত হবে না। ইতিমধ্যেই সবকিছু পরীক্ষা করে দেখে নিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। তারপরেই মিলেছে মহাকাশ যাত্রার অনুমতি। ১৯৬৫ সালে প্রথমবার ওমেগা স্পিডমাস্টারকে মান্যতা দিয়েছিল নাসা। তারপর থেকে মহাকাশে নভোশ্চরদের সময়ের নিখুঁত হিসেব দিয়ে চলেছে এই ঘড়ি।

সম্পর্কিত সংবাদ