


নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: মাধ্যমিকের পর উচ্চ মাধ্যমিকেও দক্ষিণ ২৪ পরগনায় কৃতীদের সংখ্যাধিক্য। সবমিলিয়ে ১৯ জন এই জেলা থেকে মেধাতালিকায় জায়গা করে নিয়েছেন। এই সংখ্যা রাজ্যের মধ্যে সর্বাধিক। এ ক্ষেত্রে অবদান মাত্র দু’টি স্কুলের। নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশন থেকে ১৮ জন এই তালিকায় জায়গা করে নিয়েছেন। এই তাক লাগানো ফলাফলের কাছে কিছুটা আড়ালে থেকে গিয়েছে জয়নগরের মজিলপুর জে এম ট্রেনিং স্কুল। মাধ্যমিকের পর উচ্চ মাধ্যমিকেও এই স্কুল থেকে একজন স্থান অর্জন করেছেন। তবে সার্বিকভাবে পাশের হারে রাজ্যের মধ্যে পূর্ব মেদিনীপুর এবং হাওড়ার পর স্থান পেয়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগনা। তৃতীয় স্থানে রয়েছে এই জেলা। পাশের হার ৯৩.৭১ শতাংশ।
এবছর দক্ষিণ ২৪ পরগনা থেকে ৫২ হাজার ৮৬৪ ছাত্র-ছাত্রী উচ্চ মাধ্যমিকে বসেছিলেন। উত্তীর্ণ ৪৯ হাজার ৫৩৯। ছাত্রদের তুলনায় ছাত্রীদের পাশের হার বেশি। ৪৩২ জন এ ডবল প্লাস গ্রেড পেয়েছেন। এই বিভাগে যদিও এগিয়ে ছাত্ররা। এছাড়া এ প্লাস গ্রেড পেয়েছেন ৩ হাজার ৭৩১জন। ছাত্রীরা এ প্লাস গ্রেড বেশি পেয়েছেন। ৬০ থেকে ৬৯ শতাংশ নম্বর পেয়েছেন ১৩ হাজার ৮৮৬ পড়ুয়া। এই মধ্য মেধাসুলভ ফলাফল জেলার শিক্ষা মহলকে খানিক উদ্বেগে ফেলেছে বলে অনেকের অভিমত।
উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের প্রকাশিত মেধাতালিকায় থাকা একাধিক নাম শুধু নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশনের পড়ুয়াদেরই। অন্যদিকে জয়নগরের মজিলপুর জে এম ট্রেনিং স্কুলের অরিত্র প্রামাণিকের দশম স্থান অর্জনে ওই অঞ্চল আনন্দে মাতোয়ারা। অন্যান্য ছাত্র-ছাত্রী, অভিভাবক ও শিক্ষকরা আনন্দিত। জয়নগর-মজিলপুর পুরসভার ১১ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা অরিত্র। ওঁর বাবা তপন প্রামাণিক বেসরকারি সংস্থায় কাজ করেন। মা সুজাতাদেবী একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থায় কর্মরত। ভবিষ্যতে অরিত্র কি নিয়ে পড়তে চায় সে বিষয়টি তাঁরা ছেলের উপরই ছেড়ে দিয়েছেন বলে জানালেন।