Bartaman Logo
২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

লাদাখ হিংসার দায় নিয়ে ইস্তফা দিন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, দাবি সোনাম ওয়াংচুকের

প্রাণহানির আশঙ্কা করছেন পরিবেশকর্মী সোনাম ওয়াংচুক। কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল লাদাখের লে-তে গত বছর সেপ্টেম্বর মাসে হিংসার ঘটনায় পুলিশের গুলিতে চারজনের মৃত্যু হয়েছিল।

লাদাখ হিংসার দায় নিয়ে ইস্তফা দিন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, দাবি সোনাম ওয়াংচুকের
  • ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

লে: প্রাণহানির আশঙ্কা করছেন পরিবেশকর্মী সোনাম ওয়াংচুক। কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল লাদাখের লে-তে গত বছর সেপ্টেম্বর মাসে হিংসার ঘটনায় পুলিশের গুলিতে চারজনের মৃত্যু হয়েছিল। সেই ঘটনার বর্ষপূর্তিতে বৃহস্পতিবার সুর চড়িয়েছেন সোনাম। লে-তে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে দাবি করেছেন, ‘লে হিংসার দায় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের। তাঁকে ইস্তফা দিতে হবে।’ আর তারপরই প্রাণহানির আশঙ্কার কথা শোনা গিয়েছে তাঁর মুখে। উদ্বেগের সুরে তিনি বলেন, ‘সরকারের বিরুদ্ধে কথা বলার জন্য এনকাউন্টারে খুন হয়ে যেতে পারি!’ 

Advertisement

লাদাখকে রাজ্যের মর্যাদা ও ষষ্ঠ তফসিলে স্বীকৃতির দাবিতে গত বছর বিক্ষোভ ছড়িয়েছিল লে শহরে। সংঘর্ষের জেরে পুলিশের গুলিতে প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। হিংসায় প্ররোচনার অভিযোগ এনে ওয়াংচুককে গ্রেপ্তারও করা হয়েছিল। পরে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে মুক্তি পান তিনি। সম্প্রতি প্রশ্নফাঁস ইস্যুতে দিল্লির যন্তরমন্তরে সিজেপির প্রতিবাদ চলাকালীন অনশন কর্মসূচি পালন করে দেশজুড়ে খবরের শিরোনামে চলে আসেন সোনাম। আর এবার লাদাখ ইস্যুতে ফের কেন্দ্রের বিরুদ্ধে ফের সরব এই পরিবেশকর্মী। এদিন লাদাখের বিভিন্ন জায়গায় বন্‌ধ পালিত হয়েছে। কোথাও কোথাও দিনটিকে ‘শহিদ দিবস’ হিসাবেও স্মরণ করা হয়েছে। তেমনই একটি সমাবেশ বক্তব্য রাখার সময় সুর চড়ান সোনাম ওয়াংচুক। তাঁর তোপ, ‘ওরা আমাকে জেলে ভরেছিল। আর এখন আমাকে কোথাও এনকাউন্টার করে দেওয়া হতে পারে বলেও আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। লোকে আমাকে বলছে, আপনাকে এনকাউন্টার করা হবে। সেটা হলে হবে— তাতে যদি দেশ জেগে ওঠে।’
লে হিংসার ঘটনা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি বি এস চৌহানের নেতৃত্বে তদন্ত কমিটি গড়েছিল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। সোনামের দাবি, অমিত শাহের মন্ত্রকের গড়া সেই বিচার বিভাগীয় কমিটির রিপোর্ট প্রকাশ্যে আনতে হবে। না হলে ‘মানুষের আদালত’ গড়ে পুলিশের গুলিচালনায় মৃত্যুর ওই ঘটনা নিয়ে তদন্ত হবে। আরও একধাপ এগিয়ে তিনি বলেন, ‘আজ লাদাখ থেকে বলছি— অমিত শাহের ইস্তফা দেওয়া উচিত। লাদাখে যা ঘটেছিল, সেই দায় তাঁকেই নিতে হবে। স্থানীয় যুবকদের বিরুদ্ধে একে-৪৭ সহ স্বয়ংক্রিয় আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করেছিল নিরাপত্তা বাহিনী। তাঁদের দেশদ্রোহী বলে দাগিয়ে দেওয়া হয়েছিল।’ লাদাখ ইস্যুতে রাহুল গান্ধীর নীরবতা নিয়ে প্রশ্নও তুলেছেন তিনি।   

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ