ছাত্রদের বিক্ষোভে বলপ্রয়োগের প্রসঙ্গ তুলতে রুবিওকে আরজি ছয় মার্কিন কংগ্রেস সদস্যের
  • ১৮ অক্টোবর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

ওয়াশিংটন: এসআইআর ও জ্ঞানেশ কুমার বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে অতিরিক্ত বলপ্রয়োগের ইস্যুটি আলোচনায় উত্থাপন করুন। ভারত সফর শুরুর ঠিক আগে মার্কিন বিদেশ সচিব মার্কো রুবিওর কাছে এমনই আরজি জানালেন সেদেশের ছয় আইনপ্রণেতা। এই ছয় মার্কিন কংগ্রেসের সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন প্রমীলা জয়পাল ও ইলহান ওমর। ঘটনাচক্রে, এসআইআরে কোটি কোটি ভোটারের নাম বাদ পড়া নিয়ে একদিন আগেই জয়পালের সমালোচনার কড়া জবাব দিয়েছে দিল্লি। অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে কেন্দ্র।

Advertisement

আগামী ২২ অক্টোবর পর্যন্ত ভারতে থাকবেন রুবিও। সফর চলাকালীন ভারতীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করবেন মার্কিন বিদেশ সচিব। তার ঠিক আগেই মার্কিন কংগ্রেসের ওই সদস্যরা চিঠি দিলেন তাঁকে। জয়পাল ও ওমর ছাড়াও এই তালিকায় রয়েছেন জিম ম্যাকগভার্ন, রশিদা তাইব, এলেনর হোমস নর্টন, এবং জেসাস জি. ‘চুয়ি’ গার্সিয়া। তাঁদের সেই চিঠিতে দিল্লি সহ ভারতের বিভিন্ন স্থানে ছাত্রছাত্রীদের শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদে পুলিশ ও আধাসামরিক বাহিনীর ‘অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ, অন্যায্যভাবে আটক ও দমনপীড়ন’ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। ইন্টারনেট বন্ধ ও মার্কিন নাগরিকদের উপর নজরদারির অভিযোগেও সরব হয়েছেন তাঁরা। রুবিওকে লেখা চিঠিতে ওই মার্কিন আইনপ্রণেতাদের আরজি, ভারতীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনায় পড়ুয়াদের শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে পুলিশি বাড়াবাড়ির বিষয়টি অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে উত্থাপন করুন।
এদিকে, সিজেপির ‘ব্যঙ্গাত্মক রাজনৈতিক আন্দোলন’ নিয়ে রাষ্ট্রসংঘের এক মানবাধিকার বিশেষজ্ঞের রিপোর্টকে ‘গুজব’ বলে খারিজ করে দিল ভারত। শান্তিপূর্ণ সমাবেশ ও সংগঠনের স্বাধীনতা বিষয়ক বিশেষ র‍্যাপোর্চার জিনা রোমেরো ওই রিপোর্টটি পেশ করেছেন। ভারতে প্রতিবাদী তরুণ-তরুণীরা প্রতিশোধের মুখে পড়ছেন বলে রিপোর্টে দাবি করেন তিনি। তারই প্রতিবাদ করেছেন রাষ্ট্রসংঘের ভারতের স্থায়ী মিশনের ফার্স্ট সেক্রেটারি অনুজ স্বরূপ। রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ সভার তৃতীয় কমিটির ৮১তম অধিবেশনে তিনি বলেন, খতিয়ে না দেখেই কোনো বিষয়কে কলঙ্কিত করার আগে বিশেষজ্ঞকে ‘যাচাই’ করার জন্য আহ্বান জানাচ্ছে ভারত। 
স্বরূপের কথায়, বেনামি ও যাচাইবিহীন দাবির উপর ভিত্তি করে বিশ্বের বৃহত্তম যুব জনগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে আনা ঢালাও অভিযোগ কোনো প্রমাণ নয়। এটি রাষ্ট্রসংঘের প্রতিবেদন হিসেবে পরিবেশিত ‘গুজব’ ছাড়া আর কিছুই নয়। আমাদের প্রতিনিধিদল এটিকে সরাসরি প্রত্যাখ্যান করছে।