Bartaman Logo
৩০ মে, ২০২৬

ছেলে যতীন্দ্রকে উপমুখ্যমন্ত্রী পদে বসাতে চান সিদ্ধারামাইয়া

হাইকমান্ডের ‘নির্দেশে’ একদিন আগেই মুখ্যমন্ত্রী পদে ইস্তফা দিয়েছেন সিদ্ধারামাইয়া। রাজ্যসভার সদস্য হওয়ার প্রস্তাবও প্রত্যাখ্যান করেছেন। জানিয়েছেন, বিধায়ক হিসাবে বাকি দু’বছরের মেয়াদে রাজ্য রাজনীতিতেই থাকতে চান।

ছেলে যতীন্দ্রকে উপমুখ্যমন্ত্রী  পদে বসাতে চান সিদ্ধারামাইয়া
  • ৩০ মে, ২০২৬ ০৪:০০

নয়াদিল্লি ও বেঙ্গালুরু: হাইকমান্ডের ‘নির্দেশে’ একদিন আগেই মুখ্যমন্ত্রী পদে ইস্তফা দিয়েছেন সিদ্ধারামাইয়া। রাজ্যসভার সদস্য হওয়ার প্রস্তাবও প্রত্যাখ্যান করেছেন। জানিয়েছেন, বিধায়ক হিসাবে বাকি দু’বছরের মেয়াদে রাজ্য রাজনীতিতেই থাকতে চান। তাহলে কর্ণাটকের বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী সিদ্ধারামাইয়ার ভবিষ্যৎ কী হতে চলেছে? চলছে গুঞ্জন। তারই মধ্যে শুক্রবার ফের দিল্লি এসে কংগ্রেস শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক করলেন তিনি। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, ‘পুনর্বাসন প্যাকেজ’ নিয়েই হাইকমান্ডের সঙ্গে বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রীর বৈঠক চলছে। উল্লেখ্যযোগ্য বিষয়, এদিন সিদ্ধারামাইয়ার সঙ্গে ছিলেন তাঁর পুত্র যতীন্দ্র। ‘পুনর্বাসন প্যাকেজে’র অঙ্গ হিসাবে বাকি ঘনিষ্ঠ বিধায়ককের সঙ্গে ছেলে যতীন্দ্রকেও কর্ণাটকের নতুন চেহারার মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করতে চাইছেন তিনি। আরও স্পষ্ট করে বললে, বিধান পরিষদের সদস্য যতীন্দ্রের জন্য উপমুখ্যমন্ত্রীর পদ নিশ্চিত করতে চাইছেন এই প্রবীণ নেতা। শুধু সিদ্ধারামামাইয়া নন, এদিন দিল্লিতে কংগ্রেস শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক করেছেন ভাবী মুখ্যমন্ত্রী ডি কে শিবকুমারও। আগামীকাল বেঙ্গালুরুতে কংগ্রেস পরিষদীয় দলের বৈঠক রয়েছে। সেখানেই নতুন মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে আনুষ্ঠানিকভাবে ডি কে-র নাম ঘোষণা সময়ের অপেক্ষা মাত্র। একটি সূত্র থেকে দাবি করা হচ্ছে, সরকারে ভবিষ্যৎ বিদ্রোহের আশঙ্কা এড়াতে সিদ্ধারামাইয়ার ছেলে সহ উপমুখ্যমন্ত্রী পদে মোট চারজনের নাম ঘোষণা হতে পারে। যদিও এই চার ডেপুটির ফর্মুলায় ভাবী মুখ্যমন্ত্রী শিবকুমার খুশি নন।

Advertisement

১০ জনপথে এদিন সিদ্ধারামাইয়ার সঙ্গে রাহুল গান্ধীর বৈঠক হলেও সেখানে সোনিয়া গান্ধী ছিলেন না বলে খবর। জানা যাচ্ছে, রাহুল গান্ধীর সঙ্গে এই বৈঠকেই নিজের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও কর্ণাটকের নতুন মন্ত্রিসভার সম্ভাব্য কলেবর নিয়ে আলোচনা করেছেন সিদ্ধারামাইয়া। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক রণদীপ সুরজেওয়ালা। তিনি বলেছেন, বিভিন্ন রাজনৈতিক ইস্যু নিয়ে আলোচনা হয়েছে। ক্ষমতা হস্তান্তরের প্রক্রিয়া মসৃণভাবে সম্পন্ন হবে। পরে সিদ্ধারামাইয়া কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গের সঙ্গেও বৈঠক করেছেন। অন্যদিকে, শিবকুমারও এদিন পৃথকভাবে খাড়্গে এবং বেণুগোপালের সঙ্গে বৈঠক করেছেন।

সম্পর্কিত সংবাদ